প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডের বিপক্ষে দারুণ এক ড্র উপহার দিয়েছিল জাপান। দ্বিতীয় ম্যাচে তিউনিসিয়াকে গুঁড়িয়ে দিল এশিয়ার পরাশক্তি। তিউনিসিয়াকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে নকআউটের পথে জাপানিজরা।
বিশ্বকাপে জাপান-তিউনিসিয়া ম্যাচটি যারা দেখছেন, তারা ইতিহাসের অংশ হয়ে গেলেন। কারণ, এটি বিশ্বকাপের হাজারতম ম্যাচ। ১৯৩০ সালে মেক্সিকো-ফ্রান্স এবং যুক্তরাষ্ট্র-বেলজিয়াম ম্যাচ দিয়ে শুরু হয়েছিল বিশ্বকাপের যাত্রা। এত বছর পর বিশ্বকাপ পৌঁছল দারুণ মাইলফলকে।
বাংলাদেশ সময় রোববার সকালে ‘এফ’ গ্রুপের ম্যাচে ৪-০ গোলে জিতেছে জাপান। জোড়া গোল করেছেন আয়াসে উয়েদা। একবার করে জালের দেখা পেয়েছেন দাইচি কামাদা ও জুনিয়া ইতো।
৪ মিনিটের মাথায় এগিয়ে যায় জাপান। কেইতো নাকামুরার কাট ব্যাকে জটলার মধ্য থেকে জাল খুঁজে নেন কামাদা। বিশ্বকাপে এটাই এশিয়ার দেশটির দ্রুততম গোল।
দশম মিনিটে অল্পের জন্য দ্বিগুণ হয়নি ব্যবধান। আয়াসে উয়েদার শট গোললাইন প্রায় পেরিয়েই যাচ্ছিল। কিন্তু স্রেফ কয়েক সেন্টিমিটার বাকি থাকতে ফিরিয়ে দেন তিউনিসিয়া গোলরক্ষক!
৩১তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন উ। ডি বক্সের বাইরে থেকে আড়াআড়ি গতিময় শটে জাল খুঁজে নেন তিনি। ঝাঁপিয়েও বলের নাগাল পাননি গোলরক্ষক।
দ্বিতীয়ার্ধের ৬৯তম মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়ায় জাপান। উয়েদার রক্ষণ চেরা পাস ধরে দ্রুত গতিতে এগিয়ে গিয়ে কাছের পোস্ট ঘেঁষে ঠিকানা খুঁজে নেন ইতো।
৮৩তম মিনিটে স্কোর লাইন ৪-০ করেন উয়েদা। কাইশু সানুর কাট ব্যাকে দূরের পোস্টে বল পান তিনি। তার আড়াআড়ি হেড দূরের পোস্ট ঘেঁষে জড়ায় জালে।
বিশ্বকাপে প্রথমবার কোনো ম্যাচে চার গোল করল জাপান। আরেকটি বড় হারের হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়ল তিউনিসিয়া।
এই জয়ে দুই নম্বরে উঠে এলো জাপান। শীর্ষে থাকা নেদারল্যান্ডসেরও পয়েন্ট চার। তিন পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে আছে সুইডেন। দুই ম্যাচে নয় গোল হজম করা তিউনিসিয়া বিদায় নিল বিশ্বকাপ থেকে।