Thursday 15 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

তিস্তা মহাপরিকল্পনায় ১১০ কি.মি. নদী ড্রেজিং ও ২২৪ কি.মি. বাঁধ নির্মাণের প্রস্তাব

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
৭ জুলাই ২০২৬ ২১:৫৫

পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি – সংগৃহীত ফাইল ছবি

ঢাকা: জাতীয় সংসদে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি জানিয়েছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে ১১০ কিলোমিটার নদী তীর সংরক্ষণ বা নদী শাসন, ১১০ কিলোমিটার নদী ড্রেজিং, ২২৪ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ এবং বাঁধের ওপর রাস্তা নির্মাণ, ৬৭টি গ্রোয়েন বা স্পার নির্মাণ ও মেরামত এবং ১৭০ বর্গ কিলোমিটার ভূমি পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন কাজের প্রস্তাব করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই ) সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. রায়হান সিরাজীর এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে পানিসম্পদমন্ত্রী এই তথ্য তুলে ধরেন। অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম সভাপতিত্ব করেন।

তিনি বলেন, তিস্তা নদী উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিস্তা নদীর উজানে বাঁধ দেওয়াসহ নানা সীমাবদ্ধতার কারণে শুষ্ক মৌসুমে নদীর পানিপ্রবাহ কমে যায়, যার ফলে তিস্তা সেচ প্রকল্পসহ কৃষি কার্যক্রম ব্যাহত হয়। অন্যদিকে বর্ষা মৌসুমে উজানে অতি বৃষ্টির কারণে হঠাৎ বন্যা ও নদীভাঙন সংঘটিত হয়। তিস্তা এলাকার ৫টি জেলায় তথা রংপুর, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা এবং লালমনিরহাটে নদীভাঙন রোধে বিগত ২০২৪-২৫ এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ২২২ দশমিক ২৩ কোটি টাকা ব্যয়ে মোট ৪২ দশমিক ১৭ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ কাজ ইতোমধ্যে সমাপ্ত হয়েছে। তাছাড়াও তিস্তা নদী কেন্দ্রিক টেকসই ও সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে একটি সমীক্ষা কার্যক্রম ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং এই সমীক্ষার কারিগরি ও আর্থিক বিষয়গুলো বিভিন্ন পর্যায়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শুষ্ক মৌসুমে পানি সংরক্ষণ সেচ সুবিধা বৃদ্ধি পাবে, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং ফসলের বহুমুখীকরণ সম্ভব হবে। এর ফলে নদী তীরবর্তী এলাকায় অবকাঠামো উন্নয়ন তথা রাস্তা, সেতু, বাঁধ নির্মাণ হবে, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং দারিদ্র্য হ্রাসে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে নৌ-যোগাযোগ ও আঞ্চলিক বাণিজ্যের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে এবং সামগ্রিকভাবে উত্তরাঞ্চলের টেকসই ও সমন্বিত উন্নয়ন নিশ্চিত হবে বলে সমীক্ষা প্রতিবেদনের মতামতে উল্লেখ রয়েছে।

সারাবাংলা/এফএন/এসআর
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর