ঢাকা: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেছেন, সম্প্রতি ডিএসসিসি পরিচালিত এক জরিপে প্রায় ৬০ শতাংশ বাসাবাড়িতে মশার লার্ভা পাওয়া গেছে, যা উদ্বেগজনক। যদি সামাজিকভাবে আমরা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে না পারি, তাহলে সিটি করপোরেশন শুধুমাত্র ওষুধ দিয়ে এটা কোনভাবেই কন্ট্রোল করা সম্ভব হবে না।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) নগর ভবনের অডিটোরিয়ামে মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদারকরণ সংক্রান্ত এক পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, নিয়মিত লার্ভিসাইডিং ও ফগিংয়ের পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে প্রশাসক বলেন, কেবল কীটনাশক ছিটিয়ে মশক নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং নাগরিকদের প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা। সম্প্রতি ডিএসসিসি পরিচালিত এক জরিপে প্রায় ৬০ শতাংশ বাসাবাড়িতে মশার লার্ভা পাওয়া গেছে, যা উদ্বেগজনক। তাই সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে নাগরিকদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই অভিযানে যুক্ত করতে হবে।
আমরা নামছি ক্র্যাশ প্রোগ্রামে নেমেছি তখন দেখা গেছে যে যে জায়গায়ই গেছি, বিশেষ করে কনস্ট্রাকশন বিল্ডিং, তারা কোটি কোটি টাকা খরচ করে বিল্ডিং বানাচ্ছে, অথচ সেই জায়গায় মশার উৎপাদন করতেছে। সেটাকে নস্যাৎ করার জন্য তাদের কোনো ব্যবস্থা নাই।
সাংবাদিকদের উদ্দ্যেশে তিনি বলেন, ইনশাআল্লাহ, যদি ডেঙ্গুর এই ধাক্কাটা দুই বা এক মাস যদি আমরা একটু ভালোভাবে কাটাতে পারি, তাহলে আল্লাহর রহমতে এই বছরটা আমাদের ভালো যাবে। তো সেটা আমাদের সবার জন্যই সেটা দরকার। তো সেই কারণেই আমরা কি করলে… কি করলে আরেকটু ভালো হবে, আপনারা সাজেশন দেন। সিটি কর্পোরেশন আরও কি করতে পারে? আর নগরবাসী আরও কি করতে পারে?
আবদুস সালাম বলেন, বৃষ্টির পর বাড়ির আঙিনা, ছাদ, ফুলের টব ও পরিত্যক্ত পাত্রে জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণ করতে হবে। মশামুক্ত ও সুস্থ নগরী গড়তে সিটি কর্পোরেশনের পাশাপাশি নগরবাসীকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।