Sunday 25 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

শুধু বেঞ্চ বাড়িয়ে মামলার জট কমানো সম্ভব নয়: অ্যাটর্নি জেনারেল

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২৫ অক্টোবর ২০২৬ ১৪:২৯ | আপডেট: ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ১৪:৩১

অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল – সংগৃহীত ফাইল ছবি

ঢাকা: শুধু বিচারপতি বা বেঞ্চের সংখ্যা বাড়িয়ে মামলাজট কমানো সম্ভব নয়, বরং দ্রুত মামলা নিষ্পত্তির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। একই সঙ্গে গাজীপুরের একটি মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী হেনস্তার ঘটনাটি আবেগের পরিবর্তে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রোববার (২৫ অক্টোবর) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন অ্যাটর্নি জেনারেল।

মামলাজট কমানোর বিষয়ে তিনি বলেন, বেঞ্চ বাড়ানোর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো সংশ্লিষ্ট বেঞ্চগুলোতে কতসংখ্যক মামলা নিষ্পত্তি হচ্ছে, তা বিবেচনা করা। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলার জন্য গঠিত একটি বেঞ্চের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ওই বেঞ্চ প্রায় ৩০ থেকে ৩৫টি কার্যদিবসে মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত প্রায় ২৪টি মামলার নিষ্পত্তি করেছে। তবে পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, একই ধরনের এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য বেঞ্চগুলো হয়তো সমপরিমাণ মামলা নিষ্পত্তি করতে পারছে না।

বিজ্ঞাপন

অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত বিচার পাওয়ার অধিকার রয়েছে। বিশেষ করে কারাগারে থাকা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন। তারা দোষী হলে সাজা ভোগ করবেন, আর নির্দোষ হলে খালাস পাবেন। তাই বিচারপ্রার্থীদের এই অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, প্রয়োজন বিবেচনায় প্রধান বিচারপতি বেঞ্চ বা বিচারপতির সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন। তবে শুধু বেঞ্চ বাড়ালেই মামলার স্তূপ কমবে না। একই সঙ্গে মামলা নিষ্পত্তির গতিও বাড়াতে হবে।

এদিকে সুপ্রিম কোর্টের এজলাসে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এজলাসে স্থানস্বল্পতা এবং আইনজীবীদের বিপুল উপস্থিতির কারণে কিছু সীমাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে নির্দিষ্টসংখ্যক প্রতিনিধিকে এজলাসে প্রবেশের সুযোগ দেওয়ার যে বিকল্প প্রস্তাব এসেছে, তা নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

তিনি জানান, গতকালও দুইজন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেলসহ সংশ্লিষ্টরা সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনকে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকারসংক্রান্ত বিষয়টি অবহিত করেছেন। এ বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

গাজীপুরের মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী হেনস্তার ঘটনা প্রসঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এ ধরনের ঘটনার সমাধান আবেগের বশবর্তী হয়ে নয়, বরং আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে হওয়া উচিত।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর