Tuesday 29 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

‘তাবলীগ জামাতে বিভাজন ও সংঘর্ষের পেছনে বিদেশি ইন্ধন থাকতে পারে’

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
৬ জানুয়ারি ২০২৫ ১৬:১৩
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ঢাকা: তাবলীগ জামাতে বিভাজন ও রক্তক্ষয়ি সংঘর্ষের পেছনে বিদেশি ইন্ধনের সম্ভাবনার কথা ব্যক্ত করে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও ঢাকায় অবস্থিত অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, তাবলীগ জামাত পরিচালনার জন্য মূলধারায় রয়েছে আমির। যুগযুগ ধরে এভাবে চলে আসছে। তবে আমিরের সঙ্গে সুরাহ থাকবে। হঠাৎ করে দেশের তাবলীগ জামাতে বিভাজন কেন? এখানে তৃতীয় পক্ষ অর্থাৎ রাজনীতি জড়িত রয়েছে। রাজনীতিকরাই তাবলীগ জামাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে বলে মনে করেন শিক্ষকরা।

বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে ৯ দফা দাবি তুলে ধরা হয়। এগুলো হচ্ছে-

১. সকলের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণে বিবদমান পক্ষসমূহের মধ্যে মতপার্থক্য দূরীকরণের জন্য উদ্যোগ নেওয়া;

২. গত ১৮ ডিসেম্বর টঙ্গী ময়দানে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্খিত ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন ও দোষীদের শাস্তি প্রদান;

৩. ওই ঘটনায় গ্রেফতারকৃত নিরপরাধ কারান্দিদের দ্রুত মুক্তি দেওয়া;

৪. উভয়পক্ষকে তাদের সর্বোচ্চ মুররুব্বীদের নিয়ে দাওয়াতী কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ দেওয়া;

৫. উভয়পক্ষকে কাকরাইল মসজিদে আমলের সময় বন্টন সমান করা অর্থাৎ এক মাস এক মাস করা;

৬. টঙ্গীর এস্তেমা ময়দানে উভয় পক্ষকে সমানভাবে অর্থাৎ ছয় মাস ছয় মাস সমান (জানুয়ারি-জুন: জুলাই- ডিসেম্বর) করে পাঁচ (০৫) দিনের জোড়, এস্তেমা ও অন্যান্য আমলের জন্য ভাগ করে দেওয়া;

৭. দেশের অন্যান্য মসজিদে আমলের সময় সময় বন্টন অর্থাৎ পনের দিন পনের দিন করা;

৮. কোনপক্ষ মসজিদে আমলের সময় অন্যপক্ষকে যাতে বাধা না দেয়, তা পর্যবেক্ষণ ও আইনের আওতায় আনা;
৯. পূর্ব-ঘোষিত তারিখ (০৭-০৯, ফেব্রুয়ারী, ২০২৫) অনুযায়ী মাওলানা সাদ অনুসারীদের ইস্তেমা সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খলভাবে অনুষ্ঠানের জন্য প্রযোজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গত ১৮ ডিসেম্বর টংগী ময়দানে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্খিত ঘটনা-পরবর্তী সময়ে দেশ জুড়ে মওলানা সাদ অনুসারীরা ব্যক্তিগত, প্রাতিষ্ঠানিক ও সামাজিকভাবে আক্রমণের শিকার হচ্ছে এবং বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। এমনকী তাদেরকে অনেক মসজিদে স্বাভাবিক আমলও করতে দেওয়া হচ্ছে না। এ ধরনের অনাকাঙ্খিত ঘটনা দেশে এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে।

সারাবাংলা/এএইচএইচ/আরএস 
বিজ্ঞাপন

দুর্গাপূজায় ছুটি বাড়ল
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৮:০৮

আরো