চাষাড়ার গুরুত্বপূর্ণ এলাকা সিসিটিভির আওতায় আনার ঘোষণা জেলা প্রশাসকের
৩ এপ্রিল ২০২৫ ২৩:৫৪
‘গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন নারায়ণগঞ্জ’ কর্মসূচির আওতায় শহরের অপরাধপ্রবণ এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন উদ্বোধন। ছবি: সংগৃহীত
ঢাকা: অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নারায়ণগঞ্জ শহররের প্রতিটি রাস্তাঘাট, পাড়া ও মহল্লা দ্রুত অত্যাধুনিক সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনার ঘোষণা দিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের চলমান ‘গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন নারায়ণগঞ্জ’ কর্মসূচির আওতায় শহরের অপরাধপ্রবণ চাষাড়া এলাকার গুরুত্বপূর্ণ বিজয়স্তম্ভ ও শহিদ মিনারের প্রতিটি স্থান সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনার কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করতে গিয়ে তিনি এই ঘোষণা দেন।
এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলার পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিলুফা ইয়াসমিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( সার্বিক) মো. আলমগীর হুসাইন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) মো. সোহেল রানাসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘শহরের চাষাড়া এলাকাটি হচ্ছে নারায়ণগঞ্জ জেলার প্রাণকেন্দ্র। আমরা বিভিন্ন জাতীয় দিবসের গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান এখানেই আয়োজন করে থাকি। এ ছাড়া, বাণিজ্যিক দিক দিয়েও এটি শহররের অন্যতম প্রধান এলাকা হিসেবে বিবেচিত। তাই পুরো চাষারা এলাকাটিকে আমরা নিরাপত্তার চাঁদরে ডেকে দিতে চেয়েছিলাম।’
তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন, আমরা এরই মধ্যে নারায়ণগঞ্জে গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। সেই কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে আজ চাষাড়া থেকে বিজয়স্তম্ভ এবং ডাক বাংলো মোড়, এই পাশে বালুর মাঠ, নুর মসজিদ, মিশন মোড়, আর্মি মার্কেট পর্যন্ত সমস্ত এরিয়া আমরা সিসিটিভির আওতায় এনেছি। আমরা পর্যায়ক্রমে পুরো নারায়ণগঞ্জ শহরকেই সিসিটিভির আওতায় নিয়ে আসব।
জেলার পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সিসিটিভি ক্যামেরার গুরুত্ব উল্লেখ করে বলেন, ‘সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় থাকলে যেমন তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নিতে পারব। একইভাবে কেউ কোনো অপরাধ করে যদি চলেও যায়, তাহলেও আমরা তাদের পরবর্তীতে আইনের আওতায় আনতে পারব।
কারণ, সমস্ত ফুটেজ আমাদের কাছে স্টোরেজ করা থাকে।’
নারায়ণগঞ্জবাসীর নিরাপদ চলাচল, যানজট নিরসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রমে জেলা প্রশাসকের এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন পুলিশ সুপার।
সারাবাংলা/ইউজ/পিটিএম