চীন-বাংলাদেশের অর্ধ শতাব্দীর বন্ধুত্ব এখন এক নতুন উচ্চতায়। চতুর্থ শিল্পবিপ্লব, জলবায়ু পরিবর্তন, বৈশ্বিক বাণিজ্য উত্তেজনা- এই তিন বাস্তবতা দুই দেশকেই নতুনভাবে ভাবতে বাধ্য করছে। দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে এবং স্বাস্থ্য খাতকে এগিয়ে নিতে দুই দেশের সহযোগিতার অংশ হিসেবে জয়েন্ট সার্জিক্যাল ক্লিনিক চালুর লক্ষ্যে একটি সমঝোতা সই হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) রাজধানীর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে বাংলাদেশ মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির (বিএসইউ) সঙ্গে চীনের কুনমিং মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির মধ্যে সমঝোতাটি সই হয়। এছাড়া, একইদিন বাংলাদেশকে অত্যাধুনিক ‘মোবাইল মেডিকেল অ্যান্ড সার্জিক্যাল ইউনিট’ প্রদান করেছে চীন। এদিন জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মোবাইল মেডিকেল অ্যান্ড সার্জিক্যাল ইউনিট হস্তান্তর করা হয়। এ সময় বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, বিএমইউর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী, স্বাস্থ্য অধিফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন, চীনের কুনমিং মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটি ইউরোলজি বিষয়ের প্রফেসর লি জিয়ংমিং, কুনমিং মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির ডাইরেক্টর প্রফেসর লি ওয়েনলিয়াং, ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রফেসর হি ইয়ংওয়েন উপস্থিত ছিলেন। দুই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে ছবিগুলো ফ্রেমবন্দি করেছেন সারাবাংলার সিনিয়র ফটো করেসপন্ডেন্ট হাবিবুর রহমান।
সম্পর্কের ৫০ বছর
স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতার বন্ধনে চীন-বাংলাদেশ
সারাবাংলা/পিটিএম