দূষণের ভয়াবহতার কারণে বুড়িগঙ্গার পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের মাত্রা অনেক আগেই নেমে এসেছে প্রতিলিটারে মাত্র ০.১ মিলিগ্রামে। এই মাত্রা নদীতে জলজ প্রাণীর বসবাসের জন্য প্রায় অযোগ্য। যেখানে সেই জায়গা থেকে পরিত্রাণ পেতে সচেতন হওয়ার কথা, সেখানে এখনো প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক ও মাইক্রোপ্লাস্টিক পানিতে ফেলা হচ্ছে। যা পরিবেশের জন্য আরও বড় হুমকি তৈরি করছে। নদীর তীরজুড়ে থাকা শত শত ছোট প্লাস্টিক প্রক্রিয়াজাত কারখানা নিয়মিতভাবে বর্জ্য ফেলছে বুড়িগঙ্গায়। অন্য জায়গায় তো আছেই, কিন্তু শুধুমাত্র নদীর পাশের ইসলামবাগ এলাকায় রয়েছে ৩০০-এর বেশি প্লাস্টিক কারখানা। এর মধ্যে অনেক কারখানার নেই সরকারি অনুমোদন। আবার বৈধভাবে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যেও অনেকেই পরিবেশগত নিয়ম মানছে না। অনেকে নদীর পানিতেই প্লাস্টিক বর্জ্য ধোয়ার কাজ করছে। এ কারণে বুড়িগঙ্গার জলজ প্রাণবৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, বাড়ছে মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি। সম্প্রতি বুড়িগঙ্গার ইসলামবাগ এলাকা থেকে প্লাস্টিক বর্জ্যের ছবিগুলো ফ্রেমবন্দি করেছেন সারাবাংলার সিনিয়র ফটোকরেসপন্ডেন্ট হাবিবুর রহমান।