Sunday 27 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

সাবেক এমপি ইলিয়াস মোল্লার ক্যাডার যুবলীগ নেতা অনিক গ্রেফতার

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬:৫৩

ভাষানটেক থানা যুবলীগের সহসভাপতি শাহ আলম অনিক – ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা: মিরপুর এলাকার সাবেক সংসদ সদস্য ইলিয়াস মোল্লা ও যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন নিখিল-এর
ক্যাডার হিসেবে পরিচিত রাজধানীর ভাষানটেক থানা যুবলীগের সহসভাপতি শাহ আলম অনিক-কে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ডিবি সূত্র জানায়, মিরপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত শাহাদাত-এর সঙ্গে শাহ আলম অনিক-এর ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। অনিক শাহাদাত ও ইব্রাহিম-এর পক্ষে এজেন্ট হিসেবে কাজ করতেন বলেও তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে। তার বিরুদ্ধে আন্ডারগ্রাউন্ড কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার যে অভিযোগ রয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে তার সত্যতা পাওয়া গেছে।

বিজ্ঞাপন

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান (অতিরিক্ত কমিশনার) মো. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা কিছু সময় আগে তাকে আটক করে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছি। তার বিরুদ্ধে অনেক ধরনের অভিযোগ রয়েছে। আমরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছি। শাহ আলম অনিক-এর বাবার নাম আবু সাঈদ। তার গ্রামের বাড়ি নরসিংদীতে। তিনি রাজধানীর মিরপুরের পর্বত সেনপাড়া এলাকায় বসবাস করতেন।

ডিবি সূত্রের দাবি, শনিবার রাতে ইসিবি চত্বরের কাছে নিউ গিনি কনডোমিনিয়াম সিটিতে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মোহাম্মদ মুক্তাদির-এর ব্রাউনফিশ স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় অনিক সরাসরি জড়িত ছিলেন। তবে এ ঘটনায় তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

স্থানীয় সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মিরপুর, ভাষানটেক, কাফরুল, পল্লবী ও ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ একাধিক অভিযোগে মামলা রয়েছে। এ ছাড়া ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে অনিক সামনের সারিতে ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিদেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল বলেও সূত্রের দাবি। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নিষিদ্ধ দলের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা ও সংগঠিত করার সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে। মিরপুর, পল্লবী, ভাষানটেক ও কাফরুল এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ এবং বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনাতেও অনিক সরাসরি জড়িত ছিলেন। বিদেশ থেকে আসা বিভিন্ন নির্দেশনা দেশে বাস্তবায়নেও তিনি ভূমিকা রাখছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এর আগে, শুক্রবার রাতে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকা থেকে গ্রেফতার হন কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলের ছোট ভাই মোতাহার হোসেন খান সুফল। সুফল ও অনিক একসঙ্গে ঢাকায় অস্থিরতা তৈরির বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর