পাকিস্তানের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টের শুরুটা দারুণ করেছিল বাংলাদেশ। নিজেদের প্রথম ইনিংসে দাপুটে ব্যাটিং করেছে বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয় দিন শেষে বাংলাদশে এককভাবে এগিয়ে নয়। বোলিংটা যে ভালো হলো না। দ্বিতীয় দিন শেষে বলা যেতে পারে মিরপুর টেস্টে লড়াই চলছে সেয়ানে সেয়ানে।
বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস শেষ হয়েছিল ৪১৩ রানে। আজ দ্বিতীয় দিন শেষ হওয়ার আগে ১ উইকেটে ১৭৯ রান তুলেছে পাকিস্তান। অর্থাৎ বাংলাদেশ এখন ২৩৪ রানে এগিয়ে। অপর দিকে পাকিস্তানের হাতে এখনো ৯ উইকেট।
শনিবার (৯ মে) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেমেছে ৪১৩ রানে। পরে বোলিং করতে নেমে ব্যাটিংয়ের মতো বোলিংটা হয়নি। বেশ কিছু ক্যাচ মিস করেছেন বাংলাদেশি ফিল্ডাররা। তাসকিন আহমেদ, ইবাদত হোসেন, নাহিদ রানাদের বোলিংও খুব বেশি চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেনি পাকিস্তানি ব্যাটারদের।
এই সুযোগ নিয়েছেন পাকিস্তানের দুই ওপেনার। পাকিস্তানের ওপেনিং জুটি ছিল ১০৬ রানের। মেহেদী হাসান মিরাজ দারুণ এক বলে ইমাম-উল হককে এলবিডব্লিউ করলে এই জুটি ভাঙে। এরপর দিনের বাকি অংশে আর উইকেট পায়নি বাংলাদেশ। দিন শেষে ৮৫ রানে অপরাজিত আজান আওয়াইচ। ৩৭ রানে অপরাজিত আবদুল্লাহ ফাজাল।
এর আগে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে আর দ্বিতীয় দিনে দারুণ ব্যাটিং করেছেন মুশফিকুর রহিম। দিনের শুরুতে মুশফিকুর রহিম অপরাজিত ছিলেন ৪৮ রানে। অপরপ্রান্তে ৮ রানে অপরাজিত ছিলেন লিটন দাস। লিটন-মুশফিকের জুটিটা অনেকদূর টেনেছে বাংলাদেশকে। ৪৭তম ওভারে মোহাম্মদ আব্বাসকে মাথার ওপর দিয়ে খেলতে গিয়ে টাইমিং করতে পারেননি লিটন। ক্যাচ হয়ে ফিরেছেন ব্যক্তিগত ৩৩ রানের মাথায়।
এরপর কারও কাছ থেকে সেভাবে সঙ্গ পাচ্ছিলেন না মুশফিক। তবুও নিজের জন্মদিনে এগুচ্ছিলেন সেঞ্চুরির দিকেই। কিন্তু ব্যক্তিগত ৭১ রানের মাথায় শাহিন শাহ আফ্রিদির দারুণ একটা বলে বোল্ড হলে সেঞ্চুরির সম্ভবনা আর সত্য হয়নি। ১৭৯ বল খেলে ৮টি চারের সাহায্যে এই রান করেছেন মুশফিক।
তার আগে মেহেদি হাসান মিরাজ ১২ বলে ১০ রান, তাইজুল ইসলাম ২৩ বলে ১৭ রান করে ফিরেছেন। শেষ দিকে অভিজ্ঞ পেসার তাসকিন আহমেদ যেন টি-টোয়েন্টি খেলতে নামলেন! বাংলাদেশের দলীয় চারশ পূর্ন হয়েছে তাসকিনের সেই ‘টি-টোয়েন্টি’ ব্যাটিংয়ের কারণেই!
পাকিস্তানের হয়ে মোহাম্মদ আব্বাস নিয়েছেন ৫ উইকেট। শাহিন আফ্রিদি নিয়েছেন ৩ উইকেট।