উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ সেমিফাইনালের প্রথম লেগটা হলো দারুণ উপভোগ্য। পার্ক দেস প্রিন্সে অনুষ্ঠিত রুদ্ধশ্বাস এই ম্যাচে গোল হয়েছে মোট ৯টি। নয় গোলের রোমাঞ্চে শেষ হাসি হেসেছে পিএসজি।
বায়ার্ন মিউনিখকে ৫-৪ ব্যবধানে হারিয়ে প্রথম লেগে এগিয়ে গেল প্যারিসের দলটি। ম্যাচের আগে পিএসজিকে বিশ্বের সেরা দল হিসেবে আখ্যা দিয়েছিলেন কোচ লুইস এনরিকে, মাঠে তার কথার প্রতিফলনও দেখা গেল। শুরুতে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে জয় ছিনিয়ে নেয় স্বাগতিকরা।
১৭তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে বায়ার্নকে এগিয়ে দেন হ্যারি কেন, যা ছিল চলতি মৌসুমে তার ৫৪তম গোল। তবে বেশিক্ষণ লিড ধরে রাখতে পারেনি জার্মান জায়ান্টরা। দ্রুতই সমতায় ফেরান খভিচা কাভারাৎসখেলিয়া। ৩৩তম মিনিটে জোয়াও নেভেসের গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি, কিন্তু কিছুক্ষণ পরই মাইকেল ওলিসে সমতা ফেরান বায়ার্নের হয়ে। প্রথমার্ধের একেবারে শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে আবার এগিয়ে দেন ওসমানে দেম্বেলে।
দ্বিতীয়ার্ধে পুরোপুরি দাপট দেখায় পিএসজি। কাভারাৎসখেলিয়া নিজের দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান বাড়ান, এরপর দেম্বেলেও জোড়া গোল পূর্ণ করে স্কোরলাইন নিয়ে যান ৫-২-এ।
জোশুয়া কিমিচের ফ্রি-কিক থেকে ডায়োট উপামেকানোর হেডে একটি গোল শোধ করে বায়ার্ন। এরপর বায়ান তারকা লুইজ দিয়াজের দুর্দান্ত একক প্রচেষ্টায় করা গোল ম্যাচে নতুন উত্তেজনা যোগ করে। ম্যাচের স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৪-৫। এরপর বহু চেষ্টা করেও অবশ্য আর গোল আদায় করতে পারেনি বায়ার্ন।
এক ম্যাচে ৯ গোল, উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ সেমিফাইনালের ইতিহাসে এটা রেকর্ড। ইউরোপিয়ান কাপ যুগেও এটি যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড। ১৯৫৯-৬০ মৌসুমে আইট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্ট এবং রেঞ্জার্স মধ্যকার সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগেও হয়েছিল ৯ গোল।