উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে গত রাতে যেন গোল উৎসবে মেতেছিল ইংলিশ ফুটবল! ম্যানচেস্টার সিটি প্রতিপক্ষের জালে গোল দিয়েছে ৫টি, লিভারপুল গোল করেছে ৪টি! ফিল ফোডেনের হ্যাটট্রিকে এইকে এথেন্সকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। আর দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও ভিয়ারিয়ালকে ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়ে রোমাঞ্চকর জয় তুলে নিয়েছে লিভারপুল।
ইতিহাদ স্টেডিয়ামে দলের সেরা তারকা আর্লিং হলান্ডকে ছাড়াই মাঠে নেমেও বড় জয় পেতে সমস্যা হয়নি সিটির। চোটের শঙ্কার কারণে হলান্ডকে বিশ্রাম দেওয়া হয় এই ম্যাচে। সিটির হয়ে গোলের সূচনা করেন এলিয়ট অ্যান্ডারসন। ১২ মিনিটে এলিয়ট অ্যান্ডারসনের গোলে এগিয়ে যায় ম্যানচেস্টার সিটি। ৩৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফোডেন। বিরতির পর ৫২ মিনিটে স্টাভরোস পিলিওসের গোলে ব্যবধান কমায় এইকে এথেন্স। তবে পাঁচ মিনিট পরই রায়ান শেরকির গোলে দুই গোলের ব্যবধান ফিরিয়ে আনে সিটি।
এরপর ফোডেনের ঝলক। ৬৫ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন ইংলিশ মিডফিল্ডার। ৭৬ মিনিটে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করে সিটির বড় জয় নিশ্চিত করেন ইংলিশ তারকা।
অন্যদিকে লিভারপুলের জয়টি এসেছে কঠিন লড়াইয়ের পর। ৪ মিনিটে জর্জেস মিকাউতাদজের গোলে এগিয়ে যায় ভিয়ারিয়াল। ডিফেন্ডার ভিরগিল ফন ডাইকের ভুলে গোলের সুযোগ পান জর্জেস মিকাউতাদজে। ২৯ মিনিটে সের্গি কারদোনার গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে সফরকারীরা। তবে প্রথমার্ধেই ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা দেয় লিভারপুল।
৩৬ মিনিটে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের গোলে ব্যবধান কমে। বিরতির অতিরিক্ত সময়ে, ৪৫+২ মিনিটে রোনাল্ড আরাউহোর গোলে সমতায় ফেরে স্বাগতিকেরা। ২-২ গোলের সমতা নিয়ে বিরতিতে যায় লিভারপুল।
বিরতির পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় লিভারপুল। ৬৫ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ম্যাক অ্যালিস্টার। চার মিনিট পর, ৬৯ মিনিটে ফ্লোরিয়ান ভিৎজের গোলে ব্যবধান ৪-২ করে স্বাগতিকেরা। তবে ৮৭ মিনিটে তানি ওলুসেইয়ের গোলে আবারও ম্যাচে ফেরার আশা জাগায় ভিয়ারিয়াল। শেষ পর্যন্ত অবশ্য ৪-৩ ব্যবধান ধরে রেখে জয় নিশ্চিত করে লিভারপুল।