Sunday 04 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলার রায় আজ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১৭ মে ২০২৫ ০৯:৪০
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ঢাকা: মাগুরায় আলোচিত আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলার রায় আজ শনিবার (১৭ মে)। বিচারকাজ শেষ করে ঘটনার মাত্র দুই মাস ১১ দিনের মাথায় এ রায় হতে চলেছে।

শনিবার (১৭ মে) মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসানের আদালতে এ রায় ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে। এর আগে, ১৩ মে আজকের দিন ধার্য করেন একই আদালত।

এ মামলায় ২৯ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলাটিতে সাতটি জব্দ তালিকা ছিল। এসব তালিকায় সাক্ষী ছিলেন ১৬ জন। এর মধ্যে ১২ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্যপ্রমাণসহ সাক্ষ্য দিয়ে নিজেদের জব্দ তালিকাকে সত্যায়ন করেছেন। জব্দ করা আলামতকে আদালতে সত্যায়ন করেছেন। এই মামলায় তিনটি মেডিকেল সার্টিফিকেট ছিল। পাঁচ ডাক্তার মেডিকেল সার্টিফিকেটে সই করেছিলেন। তারা এরই মধ্যে আদালতে সাক্ষী দিয়ে মেডিকেল সার্টিফিকেটকে সমর্থন করে বক্তব্য দিয়েছেন। মেডিকেল সার্টিফিকেটে তাদের সই শনাক্ত করেছেন তারা।

বিজ্ঞাপন

গত ১৩ মার্চ ঢাকায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় আছিয়া। শিশুটি মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার জারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।

এর আগে, মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে গিয়ে ৬ মার্চ ধর্ষণের শিকার হয় শিশুটি। ঘটনার পর প্রথমে তাকে মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতাল, পরে ফরিদপুর ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি ঘটায় ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেয়া হয়।

ধর্ষণের ঘটনায় ৮ মার্চ শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখ, শাশুড়ি জাহেদা বেগম, বোন জামাই সজিব শেখ এবং সজিবের বড় ভাই রাতুল শেখের বিরুদ্ধে মাগুরা সদর থানায় মামলা করেন শিশুটির মা আয়েশা আক্তার। এ মামলায় অভিযুক্ত চার আসামিই পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।

গত ১৩ এপ্রিল আদালতে চার্জশিট জমা দেন মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা মাগুরা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলাউদ্দিন। ২০ এপ্রিল মামলাটি আমলে নিয়ে চার্জগঠনের জন্য ২৩ এপ্রিল নির্ধারণ করেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান। চার্জ গঠনের পর ২৭ এপ্রিল থেকে মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়ে ৭ মে ঢাকা মেডিকেলের দুই ডাক্তারের সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

সারাবাংলা/আরএম/এনজে