Saturday 10 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

ভোটের আগে অনুদান ও সংবর্ধনা নিষিদ্ধ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২৮ জানুয়ারি ২০২৬ ১১:৫৬
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ঢাকা: আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কড়াকড়ি আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ‘নির্বাচনি আচরণবিধিমালা ২০২৫’ অনুযায়ী, এখন থেকে কোনো প্রার্থী বা দল চাইলেই অনুদান দিতে বা সংবর্ধনা নিতে পারবেন না।

বিধি ৪: অনুদান ও সংবর্ধনা নিষিদ্ধ

আচরণবিধির ৪ নম্বর ধারা অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী বা রাজনৈতিক দল তাদের নির্বাচনি এলাকায় কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানে প্রকাশ্যে বা গোপনে কোনো প্রকার চাঁদা, অনুদান বা উপটৌকন প্রদান বা প্রতিশ্রুতি দিতে পারবেন না। এ ছাড়া কোনো প্রার্থীর জন্য কোনো সংগঠন থেকে সংবর্ধনা গ্রহণ করাও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

প্রকল্প ঘোষণা ও সরকারি সুবিধা

বিধিতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, নির্বাচনের আগে কোনো সরকারি, আধা-সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন বা ফলক উন্মোচন করা যাবে না। অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা কোনো প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে সরকারি তহবিল থেকে অর্থ বরাদ্দ বা অবমুক্ত করতে পারবেন না।

বিধি ৫: সরকারি স্থাপনা ব্যবহার

আচরণবিধির ৫ নম্বর ধারা অনুযায়ী, সরকারি ডাক-বাংলো, রেস্ট হাউজ বা সার্কিট হাউজকে কোনো দলের বা প্রার্থীর প্রচারের স্থান হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। তবে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এসব স্থাপনা ব্যবহারে অগ্রাধিকার পাবেন।

লঙ্ঘনের শাস্তি: আরপিও ৯১ ধারা

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আচরণবিধি লঙ্ঘন একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। শাস্তির বিধানগুলো হলো-

আরপিও ৯১খ(৩) অনুযায়ী: বিধি ভঙ্গকারী প্রার্থীর সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড অথবা এক লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা (বা উভয় দণ্ড) হতে পারে।

রাজনৈতিক দলের শাস্তি: কোনো দল বিধি লঙ্ঘন করলে তাকে সর্বোচ্চ এক লাখ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া যাবে।

আরপিও ৯১ঙ অনুযায়ী: অভিযোগ প্রমাণিত হলে কমিশন সরাসরি ওই প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করার ক্ষমতা রাখে।

উল্লেখ্য, প্রচার চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।

সারাবাংলা/এনএল/ইআ
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর