Monday 11 May 2026
সারাবাংলা: লেটেস্ট বাংলা খবর | ব্রেকিং নিউজ | Sarabangla.net

গ্রামীণ শিল্পে সবুজ রূপান্তরে ১ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১১ মে ২০২৬ ১৭:৫৬ | আপডেট: ১১ মে ২০২৬ ১৯:৪০

ঢাকা: গ্রামীণ ও স্থানীয় শিল্প খাতে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে ১ হাজার কোটি টাকার বিশেষ পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা চালু করেছে বাংলা‌দেশ ব্যাংক । গ্রিন ট্রান্সফরমেশন ফান্ডের (জিটিএফ) আওতায় এ তহবিল থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, শক্তি সাশ্রয়, পানি সংরক্ষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পুনর্ব্যবহারসহ বিভিন্ন সবুজ উদ্যোগে ঋণ সহায়তা দেওয়া হবে।

সোমবার (১১ মে) সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্ট থেকে জারি করা এসএফডি সার্কুলারে এ তথ্য জানানো হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, টেকসই অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা এবং গ্রামীণ শিল্পের সক্ষমতা বাড়াতে বিদ্যমান ৫ হাজার কোটি টাকার আবর্তনশীল গ্রিন ট্রান্সফরমেশন ফান্ড থেকে আলাদা করে ১ হাজার কোটি টাকা সংরক্ষণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

নীতিমালা অনুযায়ী, এ তহবিল থেকে গ্রামীণ ও স্থানীয় শিল্পে পরিবেশবান্ধব বা প্রচলিত মূলধনী যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানি কিংবা স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত যন্ত্রপাতি কেনার বিপরীতে পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা দেওয়া হবে। প্রকল্পভেদে ঋণের মেয়াদ হবে ২ থেকে ৫ বছর।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, অংশগ্রহণকারী ব্যাংকগুলোর জন্য পুনঃঅর্থায়নের সুদহার হবে ১ শতাংশ। আর গ্রাহক পর্যায়ে সর্বোচ্চ সুদ বা মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ শতাংশ।

একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা পাবেন। তবে মোট প্রকল্প ব্যয়ের সর্বোচ্চ ৮০ শতাংশ পর্যন্ত অর্থায়ন করা যাবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রকল্পে ব্যবহৃত মোট বিদ্যুতের অন্তত ১০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে আসতে হবে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো এ সুবিধার আওতায় ঋণ বিতরণ করতে পারবে। বেসরকারি ও বিদেশি ব্যাংকের ক্ষেত্রে খেলাপি ঋণের হার ২০ শতাংশের নিচে থাকতে হবে।

তহবিলে অংশ নিতে আগ্রহী ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে অংশগ্রহণ চুক্তি (পিএ) করতে হবে। তবে যেসব ব্যাংক আগে থেকেই গ্রিন ট্রান্সফরমেশন ফান্ডের আওতায় চুক্তিবদ্ধ রয়েছে, তাদের নতুন করে চুক্তি করতে হবে না।

পুনঃঅর্থায়নের আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের হালনাগাদ সিআইবি প্রতিবেদন সংগ্রহ এবং যথাযথ যাচাই-বাছাই নিশ্চিত করতে হবে। খেলাপি ঋণগ্রহীতারা এ সুবিধার জন্য বিবেচিত হবেন না বলেও স্পষ্ট করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, পুনঃঅর্থায়ন অনুমোদনের আগে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প সরেজমিন পরিদর্শন করা হবে। ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে পুনঃঅর্থায়নের তথ্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা দিতে হবে। ভুল তথ্য দিলে বা সময়মতো প্রতিবেদন দাখিল না করলে জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।