Monday 26 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

বাণিজ্য সম্প্রসারণে বাংলাদেশ-পাকিস্তান সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
২৬ অক্টোবর ২০২৬ ১৬:৪০ | আপডেট: ২৬ অক্টোবর ২০২৬ ১৭:৫৯

ঢাকা: খাদ্যশস্যের দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণ, পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় ও দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে সচিবালয়ে খাদ্যমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ গুরুত্বারোপ করেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণের মাধ্যমে উভয় দেশের জনগণ উপকৃত হতে পারে। বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদে খাদ্যশস্যের গুণগত মান বজায় রেখে সংরক্ষণের ক্ষেত্রে পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

বিজ্ঞাপন

সাক্ষাৎকালে খাদ্যশস্য আমদানি, খাদ্য সংরক্ষণ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও যোগাযোগসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

খাদ্যমন্ত্রী জানান, গত অর্থবছরে পাকিস্তান থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানি করা হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ে চাল বাংলাদেশে পৌঁছেছে এবং এর মানও সন্তোষজনক ছিল। তিনি পাকিস্তানের বাসমতী চালের প্রশংসা করে বলেন, বর্তমানে দেশে পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুত থাকলেও দীর্ঘমেয়াদে তা মান বজায় রেখে সংরক্ষণ করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ ক্ষেত্রে পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান বিনিময় বাংলাদেশের খাদ্য সংরক্ষণব্যবস্থার উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে।

পাকিস্তানের হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ চালুর ফলে জনগণের যাতায়াত ও পারস্পরিক যোগাযোগ সহজ হয়েছে। তিনি বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেন।

তিনি আরও জানান, পাকিস্তানে বাংলাদেশের সিরামিক পণ্য, পান ও আনারসের চাহিদা রয়েছে। পাশাপাশি পাকিস্তানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা ও পূর্ণ অর্থায়নে বৃত্তি পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। সাইবার নিরাপত্তা ও তথ্যপ্রযুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে এসব সুযোগ কাজে লাগাতে তিনি বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, কৃষিপণ্যের বাজার সম্প্রসারণ এবং বাণিজ্য সহজীকরণে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো প্রয়োজন। শিক্ষা, প্রযুক্তি, খাদ্য নিরাপত্তা ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা সম্ভব।

সাক্ষাৎকালে পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ ওয়াসিফ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগবিষয়ক কর্মকর্তা ওয়াকাস ইয়াসিন, খাদ্যসচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা এবং খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জসিম উদ্দিন খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সারাবাংলা/এমএমএইচ/এনজে
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর