Tuesday 03 November 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

নীলফামারীতে আগুনে ৭ ঘর পুড়ে ছাই

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
৩ নভেম্বর ২০২৬ ২৩:৪০ | আপডেট: ৩ নভেম্বর ২০২৬ ২৩:১৯

নীলফামারী: জেলার ডোমারে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের অগ্নিকাণ্ডে ৭ ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এ ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের উদাসীনতাকে দায়ী করছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে সদর ইউনিয়নের মাঝাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১৫ লাখ টাকার মালামাল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানান ক্ষতিগ্রস্তরা।

স্থানীয়রা জানান, মাগরিবের আজানের পরেই বৈদ্যুতিক খুঁটিতে শর্টসার্কিট হয়। এতে আগুন দ্রুত ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। পরে একে একে একাধিক বসতঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসকে কল দিলে তারা ১ ঘণ্টা পর পৌছায়। এরপর মেশিন চালু করতে আরও ৩০ মিনিট লেগে যায়। এ সময় বিদ্যুৎ অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও বিদ্যুত বন্ধ করতেও প্রায় আধাঘণ্টা বিলম্ব হয়।

বিজ্ঞাপন

এসময় মাঝাপাড়া একালার মৃত কামরুল হুদার ছেলে মো. রাবেল ও মো. রুবেল, নুরল হুদার ছেলে লিটন ও লিজু, সামছুল হুদার ছেলে জুয়েল এর বসতঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত রুনা বেগম জানায়, ‘ফায়ার সার্ভিস যখন আসে তখন একটি ঘরে আগুন জ্বলছিল। কিন্তু তাদের মেশিন স্টার্ট দিতে দেরি হওয়ায় নিমিষেই বাকি সব ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তাদের বিলম্বের কারণেই আজ আমাদের সব পুড়ে ছাই হলো।’

ক্ষতিগ্রস্ত রাবেল আহমেদ জানায়, ‘আগুনে পুড়ে ঘরের সোনা গহনা, জিনিসপত্র মিলে প্রায় ২০ লাখ টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমরা একেবারে নিঃস্ব হয়ে গেলাম। ফায়ার সার্ভিস দেরি না করলে হয়তো আমাদের এতো ক্ষয়ক্ষতি হতো না।’

শিশু লামিশা কান্নাজড়িত কন্ঠে জানায়, আমার সাইকেল টা পুড়ে গেছে। অনেকগুলো জামা কাপড়ও পুড়ে গেছে।

স্থানীয় সাজেদুল ইসলাম জানায়, ‘ফায়ার সার্ভিস এর আগেও ডোমারের এক জায়গায় আগুন নেভাতে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের মেশিনের এমন সমস্যা হয়েছিল। ততক্ষণে ওই অগ্নিকাণ্ডে সব শেষ হয়ে গেছে। ফায়ার সার্ভিসের এমন উদাসীনতার কারণে মানুষ নিঃস্ব হচ্ছে।’

অভিযোগের বিষয় অস্বীকার করে ডোমার ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মুক্তি মাহমুদ বলেন, রাস্তা খারাপ হওয়ার কারনে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে কিন্তু সেটাও সামান্য সময়।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর