Wednesday 04 November 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

অর্থপাচারের অভিযোগে ব্রিফিং: আসিফের রিট হাইকোর্টের কার্যতালিকায়

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
৪ নভেম্বর ২০২৬ ১২:০৯

সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। ফাইল ছবি

ঢাকা: দুর্নীতি ও অর্থপাচারের অভিযোগ অনুসন্ধান শুরুর পর প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা জানিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা সংবাদ সম্মেলনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করেছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। এই রিট আবেদনটি বর্তমানে হাইকোর্টের কার্যতালিকায় রয়েছে।

বিচারপতি মো. বশির উল্লাহ ও বিচারপতি মো. হামিদুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চের বুধবারের (৪ নভেম্বর) কার্যতালিকায় রিটটি ৬৩ নম্বর ক্রমিকে রাখা হয়েছে। আদালতের অবকাশ শেষ হওয়ার পর নতুন করে শুনানির জন্য এটি পুনরায় উপস্থাপন করা হয়। এর আগে, গত ২৯ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের একটি অবকাশকালীন বেঞ্চ রিট আবেদনটি কার্যতালিকা থেকে বাদ (ডিলিট) দিয়েছিলেন।

বিজ্ঞাপন

দুদকের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এবং সহকারী পরিচালক গত ২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর পৃথক দুটি সংবাদ সম্মেলন করেন। ওই সংবাদ সম্মেলনে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থপাচারের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরুর পর প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।

রিট আবেদনে বলা হয়েছে, দুদকের এসব সংবাদ সম্মেলন সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে নিশ্চিত করা ব্যক্তির মর্যাদা ও সুনামের সুরক্ষা এবং দুদকের তথ্য অবমুক্তকরণ নীতিমালার সরাসরি লঙ্ঘন। এ কারণে গত ২ ও ১৩ সেপ্টেম্বরের সংবাদ সম্মেলনের আইনি বৈধতা ও কর্তৃত্ব চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন আসিফ মাহমুদ।

উল্লেখ্য, গত ২ সেপ্টেম্বরের সংবাদ সম্মেলনে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ৭৬ লাখ টাকা নেওয়ারসহ বিভিন্ন অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। যদিও পরবর্তীতে দুদকের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা সাংবাদিকদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পাঠানো বার্তায় ওই বক্তব্যকে ‘স্লিপ অব টাং’ বা মুখ ফসকে বেরিয়ে যাওয়া কথা বলে উল্লেখ করেছিলেন।

অন্যদিকে, গত ১৩ সেপ্টেম্বরের সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এবং ৩৬ জন জেলা প্রশাসক নিয়োগ, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলী নিয়োগ এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের দরপত্র থেকে শত কোটি টাকার কমিশন বাণিজ্যের গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়। পাশাপাশি সেখানে বিদেশে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের চাঞ্চল্যকর অভিযোগও গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরা হয়েছিল।

সারাবাংলা/এনএল/এনজে
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর