ঢাকা: দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাসী এবং মানুষের ভোটাধিকারে বিশ্বাস করেন এমন সবাইকে ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, দেশের ভেতরে ও বাইরের সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় দল-মতনির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘৭ নভেম্বর বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ ও সশস্ত্র বাহিনী (সিপাহি-জনতা) একসঙ্গে দেশকে রক্ষা করেছিল। আজ আবারও ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। এসব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হবে এবং চক্রান্ত প্রতিহত করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘৫ আগস্ট দেশের মানুষের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে যে পরিবর্তন এসেছে, তার পরও গণতন্ত্রের জন্য যারা সোচ্চার হয়েছেন, তাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আবার যারা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করতে চায় এবং প্রহসনের নির্বাচন চালু করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে জনগণকে সজাগ থাকতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৭ নভেম্বর ও ৫ আগস্টের পর এ দেশের মানুষকে আর চেপে রাখা যাবে না। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে এদিন বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। শোভাযাত্রায় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান অংশ নেন। নয়াপল্টন থেকে শুরু হওয়া এই বিশাল শোভাযাত্রার সামনের সারিতে দাঁড়িয়ে তিনি স্বতঃস্ফূর্তভাবে উপস্থিত জনতার শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন।
শোভাযাত্রার অগ্রভাগে প্রধানমন্ত্রীর ঠিক পাশেই উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে দলটির নীতি নির্ধারক ও শীর্ষ নেতাদের। তার পাশে হাঁটছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী-সহ কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম শীর্ষ নেতারা। শোভাযাত্রার ব্যানারের ঠিক পেছনেই সুশৃঙ্খলভাবে হেঁটে যান বিএনপির স্থায়ী কমিটি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতারা।