Monday 05 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

৬ বিসিএসের পুলিশ ক্যাডারে ‘ছাত্রলীগ খুঁজে বের করতে’ ফের ভেরিফিকেশন

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
২৭ অক্টোবর ২০২৪ ০৯:২০
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ঢাকা: আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে হওয়া ছয়টি বিসিএস পরীক্ষায় পুলিশ ক্যাডারে যারা চাকরি করছেন, তাদের ফের পুলিশ ভেরিফিকেশনের মুখে পড়তে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সূত্র বলছে, এর মূল উদ্দেশ্য উত্তীর্ণদের মধ্য থেকে সম্প্রতি নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের খুঁজে বের করা।

পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) থেকে সম্প্রতি এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গত ২০ অক্টোবর এসবি থেকে এ সংক্রান্ত চিঠিও ইস্যু করা হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র শনিবার (২৬ অক্টোবর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

তথ্য বলছে, পুনরায় পুলিশ ভেরিফিকেশন হতে যাওয়া ছয়টি বিসিএস হলো— ২৮তম, ৩৫তম, ৩৬তম, ৩৭তম, ৪০তম ও ৪১তম বিসিএস। এসব বিসিএসে নিয়োগ পাওয়া পুলিশ কর্মকর্তাদের আটটি তথ্য যাচাই করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি তার রাজনৈতিক পরিচয়, পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড ও ক্যাম্পাস রাজনীতিতে ভূমিকা দেখতে বলা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

চিঠিতে উল্লেখ করা ছয়টি বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে যারা চাকরি পেয়েছেন তাদের জীবনবৃত্তান্ত পুনরায় যাচাই-বাছাই করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার কম নয়— এমন একজন কর্মকর্তাকে দিয়ে সর্বোচ্চ গোপনীয়তা বজায় রেখে দ্রুত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

প্রতিবেদনে পুলিশ কর্মকর্তার নাম, জন্ম তারিখ, জাতীয় পরিচয়পত্র, সচল একাধিক ফোন নম্বর, ইমেইল, ফেসবুক, টিআইএন নম্বর ও পাসপোর্ট নম্বর সংযুক্ত করতে বলা হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, গোপনীয় প্রতিবেদনে কর্মকর্তা যে স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেছেন তার নাম, সেশন ও অধ্যয়ন করা বিষয় এবং অবস্থান বা আবাসিক হলের তথ্য দিতে হবে। ছাত্র রাজনীতিতে সম্পৃক্ততার তথ্য ছাড়াও প্রার্থী অন্য জেলায় অধ্যয়ন করে থাকলে সংশ্লিষ্ট জেলায় যোগাযোগ করে তার রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করতে হবে।

এ ছাড়া কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুজন করে বন্ধুর নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর, সংশ্লিষ্ট থানার রেকর্ড (সিডিএমএসের তথ্য) যাচাই করে দিতে হবে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

আরও বলা হয়, প্রার্থীর রাজনৈতিক সংশ্লেষ ছাড়াও কোনো ধরনের জঙ্গি সংশ্লিষ্টতায় জড়িত কি না, সেই তথ্য দিতে হবে। প্রার্থী সম্পর্কে এলাকার স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তি, গ্রহণযোগ্যতা আছে এমন জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক এবং তার সমসাময়িক বন্ধু-বান্ধবদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে তার ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে।

সারাবাংলা/ইউজে/এনজে
বিজ্ঞাপন

আরো