Sunday 08 November 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

বাংলাদেশি বান্ধবীকে ফিরে পেতে হাইকোর্টে মার্কিন তরুণ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১৩ জানুয়ারি ২০২৫ ২০:৫০
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ঢাকা: বান্ধবীকে ফিরে পেতে হারুন আসাদ মির্জা নামে এক যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের নাগরিক বাংলাদেশে ছুটে এসেছেন। হয়েছেন হাইকোর্টের দারস্থ। তরুণের আবেদনে ওই তরুণীর বক্তব্য শুনতে চেয়েছেন আদালত।

আগামী ২৬ জানুয়ারি সকাল ১১টায় মা-বাবসহ ওই তরুণীকে হাইকোর্টে হাজির করতে কক্সবাজার সদর থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) নির্দেশ দেন।

সোমবার (১৩ জানুয়ারি) বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।

জানা গেছে, সামাজিক যোগাযোগমধ্যমে কক্সবাজার সদর উপজেলার অষ্টাদশী এক তরুণীর সঙ্গে পরিচয় হয় মার্কিন নাগরিক হারুন আসাদ মির্জার। এরপর দুজনের মধ্যে সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। তবে সম্পর্কের বিষয়টি তরুণীর পরিবার জেনে যাওয়ায় বাধে বিপত্তি। পরিবারের চাপে এক পর্যায়ে আসাদ মির্জার সঙ্গে ওই তরুণীর যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। এরপর তরুণীর সঙ্গে কোনোভাবেই যোগাযোগ করতে না পেরে তরুণ বাংলাদেশে ছুটে আসেন।

বিজ্ঞাপন

সম্প্রতি ওই মার্কিন যুবক বাংলাদেশে এসে নানা জায়গায় ছুটাছুটি করেও প্রিয়জনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে না পেরে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট তরুণীর বক্তব্য শুনতে চায়।

রুলে বাংলাদেশি ওই তরুণীকে বেআইনিভাবে আটকে রাখা কেনো আইনবহির্ভূত ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), কক্সবাজারের পুলিশ সুপার, কক্সবাজার সদর থানার ওসিসহ সংশিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী তাসমিয়া নুহিয়া আহমেদ।

তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমধ্যমে মার্কিন নাগরিক হারুন আসাদ মির্জার সঙ্গে বাংলাদেশের এক অষ্টাদশী তরুণীর পরিচয় হয়; বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। তাদের সম্পর্কের বিষয়টি তরুণীর পরিবার মেনে নেয়নি। এক পর্যায়ে পরিবার জোর করে যোগাযোগের সব ধরনের ডিভাইস কেড়ে নেয়। একজন প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিককে জোরপূর্বক আটকে রাখা, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা, স্বাধীনভাবে চলাচল করতে না দেওয়া, বাকস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা এবং বেআইনিভাবে যোগযোগ বিচ্ছিন্ন করে রাখা অন্যায়। এ কারণে ওই তরুণীর মার্কিন বন্ধু হেবিয়াস কর্পাস আইনে চলতি মাসে শুরুর দিকে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।

রিটে স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), কক্সবাজারের পুলিশ সুপার, কক্সবাজার সদর থানার ওসিসহ সংশিষ্টদের বিবাদী করা হয়। আজ ওই রিটের শুনানি নিয়ে তরুণীর বক্তব্য শুনতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।

সারাবাংলা/কেআইএফ/এসআর