Tuesday 27 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

হাসাহাসিকে কেন্দ্র করে কিশোরদের সংঘর্ষ, ছুরিকাঘাতে আহত ৬

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৮:৪৭

সংঘর্ষ। প্রতীকী ছবি

ফরিদপুর: ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ফুচকা খাওয়ার সময় উচ্চস্বরে হাসাহাসিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের কিশোর-তরুণদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ছুরিকাঘাতে একজনসহ অন্তত ছয়জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে দু’জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ১০টার দিকে বোয়ালমারী উপজেলা পার্কের সামনে এ ঘটনা ঘটে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেল পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি বলে জানিয়েছেন বোয়ালমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দু’জন হলেন বোয়ালমারী পৌরসভার দক্ষিণ কামারগ্রামের সেলিম শেখের ছেলে হৃত্বিক শেখ (২১) ও একই এলাকার মনিরুল ইসলামের ছেলে কাকন (২০)। হৃত্বিকের পেটে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। কাকনের মাথায় আঘাত লেগেছে। তারা দু’জনই বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।

বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় উপজেলা পার্কের সামনে দুই পক্ষের প্রায় ২৫ জন কিশোর-তরুণ অবস্থান করছিলেন। একপর্যায়ে এক পক্ষের কয়েকজন উচ্চস্বরে হাসাহাসি করলে তা নিয়ে অন্য পক্ষের সঙ্গে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরে ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতির একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় হৃত্বিকের পেটে ছুরিকাঘাত এবং কাকনের মাথায় আঘাত করা হয়। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বোয়ালমারী পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কিশোরদের দলবদ্ধ আড্ডা চলে। এসব আড্ডাকে ঘিরে মাদক সেবন ও অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। সরকারি কলেজের পুকুরঘাট, অডিটোরিয়ামের পূর্বপাশ, গরুর হাট, মহিলা কলেজের সামনে, পরিত্যক্ত পৌর বাস টার্মিনাল, স্টেডিয়াম মাঠ, রেলস্টেশনসহ বিভিন্ন স্থানে এমন আড্ডা দেখা যায় বলে তারা জানান।

তবে মাদক ও অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগের বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো ঘটনার তথ্য পাওয়া যায়নি।

এলাকাবাসীর আশঙ্কা, দলবদ্ধ আড্ডা ও অপরাধপ্রবণতা নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে সামান্য বিরোধ থেকেও বড়ো ধরনের সংঘর্ষ হতে পারে। তারা এসব স্থানে নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান চালানোর দাবি জানিয়েছেন।

ওসি মোস্তাফিজুর বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। ওই এলাকায় পুলিশের নজরদারি রয়েছে। অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং বিপথগামীদের আইনের আওতায় আনা হবে।’

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর