সিরাজগঞ্জ: সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীতে বালুবাহী বাল্কহেড ডুবে দুই শ্রমিক নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় দুই দিনেও তাদের সন্ধান মেলেনি। ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি রাজশাহী থেকে আসা ডুবুরি দল উদ্ধার তৎপরতায় যোগ দিলেও নদীর তীব্র স্রোতের কারণে অভিযান ব্যাহত হচ্ছে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার চরাঞ্চলখ্যাত কাওয়াকোলা ইউনিয়নের বড় কয়রা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজশাহী থেকে ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
তবে প্রতিকূল নৌপথ ও প্রবল স্রোতের কারণে তাৎক্ষণিকভাবে পানিতে নামতে পারেনি তারা।
নিখোঁজদের উদ্ধারে ড্রেজারের মাধ্যমে বাল্কহেডের ভেতর থেকে বালু সরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এদিকে নিখোঁজ দুই শ্রমিকের স্বজনেরা উৎকণ্ঠায় রয়েছেন।

দুর্ঘটনাকবলিত বাল্কহেডটিতে চারজন ছিলেন। নিখোঁজরা হলেন, নোয়াখালীর মাইজদী থানার আন্ডারচর গ্রামের লোকমান হোসেন মৃধার ছেলে মো. মোরশেদ (২৫) এবং চাঁদপুরের মতলব উত্তর থানার কাশিমনগর গ্রামের মোক্তার হোসেনের ছেলে মো. ফয়সাল (২১)।
ঘটনার সময় বাল্কহেডের ওপরের অংশে থাকা এজাজুল ইসলাম (২৬) ও রাসেল হোসেন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন। এজাজুল কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার ছাতিরচর গ্রামের বাসিন্দা। রাসেল নোয়াখালীর মাইজদী থানার আন্ডারচর গ্রামের বাসিন্দা।
সিরাজগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার মো. শরীফুল ইসলাম জানান, রাজশাহী থেকে ডুবুরি দল এনে রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত তল্লাশি চালানো হলেও নিখোঁজ দুজনের সন্ধান পাওয়া যায়নি।
তিনি আরও বলেন, সোমবারও পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে রয়েছে। স্রোত কমলে পানিতে নেমে অভিযান চালানো হবে। পাশাপাশি ড্রেজার দিয়ে বাল্কহেডের ভেতরের বালু সরিয়ে আটকে থাকা শ্রমিকদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।