পাবনা: পাবনার ঈশ্বরদীতে এক ব্যবসায়ীকে আটকে রেখে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং পরে ৭ লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগে নারীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে ঈশ্বরদী পৌর শহরের পিয়ারাখালী জামতলী এলাকার মমতাজ ভিলা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসাদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন নাটোরের লালপুর উপজেলার মহরকয়া গ্রামের মৃত সাজদার আলীর ছেলে সিরাজুল ইসলাম, তার স্ত্রী বৃষ্টি খাতুন এবং মুক্তি খাতুন। সিরাজুল ইসলাম এ মামলার মূল অভিযুক্ত বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, মামলার বাদী জামিরুল ইসলাম রাজশাহী জেলার বাঘা থানার চণ্ডীপুর এলাকার মৃত সাফাত প্রামাণিকের ছেলে। পূর্বপরিচয়ের সূত্র ধরে জামিরুল ইসলাম সিরাজুল ইসলামের ভাড়া বাসায় গেলে অভিযুক্তরা কৌশলে এক নারীর সঙ্গে তার ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। পরে ওই ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন তারা।
এজাহারে বলা হয়, টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে জামিরুল ইসলামকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। পরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে জামিরুল ইসলামের স্ত্রী আসমা তার বন্ধুদের সহযোগিতায় আসামিদের ৭ লাখ টাকা দেন।
এ ঘটনায় জামিরুল ইসলাম বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় মামলা করেন। পরে ঈশ্বরদী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাসেল হোসেনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।