Saturday 31 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

চাঁপাইনবাবগঞ্জে আলিমে জিপিএ-৫ মাত্র ২, পিছিয়ে ২৬ মাদরাসা

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
৩১ অক্টোবর ২০২৬ ১৯:১৩

শংকরবাটি হেফজুল উলুম ফায়েজা খানম কামিল মাদরাসা। ছবি: সংগৃহীত

চাঁপাইনবাবগঞ্জ: চাঁপাইনবাবগঞ্জে আলিম পরীক্ষার ফলাফলে হতাশাজনক চিত্র দেখা গেছে। জেলার ২৭টি মাদরাসার মধ্যে মাত্র একটি প্রতিষ্ঠানের দুই শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন। বাকি ২৬টি মাদরাসার কোনো শিক্ষার্থীই সর্বোচ্চ এই ফল অর্জন করতে পারেননি।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে এ তথ্য জানা গেছে।

জেলার একমাত্র জিপিএ-৫ পাওয়া মাদরাসা হলো চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার শংকরবাটি হেফজুল উলুম ফায়েজা খানম কামিল মাদরাসা। প্রতিষ্ঠানটির বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাঁচজন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। এর মধ্যে দুইজন জিপিএ-৫ পেয়েছেন। এ ছাড়া সাধারণ বিভাগ থেকে পাস করেছেন আরও ১৭ জন। সব মিলিয়ে প্রতিষ্ঠানটির ২২ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল খালেক বলেন, পুরো জেলায় আলিম পরীক্ষায় মাত্র দু’জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, আর দু’জনই তার প্রতিষ্ঠানের। তবে সামগ্রিক ফলাফল প্রত্যাশা অনুযায়ী না হওয়ায় কিছুটা হতাশা রয়েছে। আগামীতে আরও ভালো ফলাফলের আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

অন্যদিকে, জেলার বেশ কয়েকটি মাদরাসার ফলাফলে নিম্নমুখী চিত্র দেখা গেছে। প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ কামিল মাদরাসা থেকে ৪২ জন, কানসাট সাইফুদ্দীন মেমোরিয়াল ফাজিল মাদরাসা থেকে ৩৬ জন এবং শিবগঞ্জ কামিল মাদরাসা থেকে ৪১ জন পরীক্ষার্থী পাস করেছেন। প্রতিষ্ঠানগুলোর পাসের হার যথাক্রমে ৭৩ দশমিক ৬৮, ৭২ ও ৫৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

সবচেয়ে খারাপ ফলাফল করেছে সদর উপজেলার ঝলঝলিয়া ইসলামী সমাজকল্যাণ আলিম মাদরাসা। প্রতিষ্ঠানটিতে ১০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন মাত্র একজন। পাসের হার ১০ শতাংশ। এ ছাড়া বরধাই চন্দপুর বাইলকাপাড়া আলিম মাদরাসায় ১৬ শতাংশ, তেলকুপি কলমদার আলিম মাদরাসায় ১৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ, গোয়ালবাড়ি দারুল উলুম ফাজিল মাদরাসায় ১৭ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং খালে আলমপুর দারুস সুন্নাত আলিম মাদরাসায় ১৯ দশমিক ২৩ শতাংশ পাসের হার।

ফলাফল নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শাহীন সুলতানা বলেন, ‘এবার সারাদেশেই শিক্ষার্থীরা আশানুরূপ ফল করতে পারেননি। চাঁপাইনবাবগঞ্জও এর ব্যতিক্রম নয়। গত কয়েক বছরের ফলাফল পর্যালোচনা করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে কোথায় ঘাটতি রয়েছে, তা চিহ্নিত করা হবে। পরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে আগামীতে আরও ভালো ফলাফল অর্জনের চেষ্টা করা হবে।’

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর