কিছু দিন আছে যেগুলো ক্যালেন্ডারে খুব বড় করে লেখা না থাকলেও মনটা হালকা করে দেয়। ৮ জানুয়ারি তেমনই একটি দিন— ইংলিশ টফি ডে। নাম শুনলেই দাঁতের কোণে লেগে থাকা সেই মিষ্টি স্বাদের কথা মনে পড়ে যায়, মনে পড়ে স্কুলফেরত পকেটে রাখা ছোট্ট টফি, কিংবা অতিথি এলে চায়ের সঙ্গে দেওয়া চকচকে মোড়কের মিষ্টি।
টফির সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক
টফি আসলে শুধু একটি মিষ্টি নয়, এটি এক ধরনের অনুভূতি। ছোটবেলায় দুই টাকার কয়েন দিয়ে কেনা টফি, বন্ধুদের সঙ্গে ভাগাভাগি, আর বড়দের চোখ এড়িয়ে লুকিয়ে খাওয়ার সেই আনন্দ—সবই যেন আজও স্বাদে লেগে আছে।
ইংলিশ টফি তার মাখনের ঘ্রাণ, ক্যারামেলের রং আর শক্ত–নরমের মাঝামাঝি এক কামড়েই আলাদা করে চেনা যায়। একে চিবোতে চিবোতে সময় যেন একটু থেমে যায়।
ইংলিশ টফির জন্মকথা
ইংল্যান্ডে জন্ম নেওয়া এই টফির মূল উপাদান খুব সাধারণ—চিনি, মাখন আর ধৈর্য।
চিনি আর মাখন ধীরে ধীরে জ্বাল দিয়ে তৈরি হয় এই টফি, যেখানে এক মুহূর্তের অসতর্কতায় বদলে যেতে পারে পুরো স্বাদ। তাই টফি বানানোও একধরনের শিল্প।
কেন আলাদা একটি দিন?
কারণ জীবন সবসময় গুরুগম্ভীর হতে পারে না।
কখনও কখনও কেবল একটা টফিই যথেষ্ট—মন ভালো করার জন্য।
ইংলিশ টফি ডে আমাদের মনে করিয়ে দেয়, বড় হয়ে গেলেও ছোটখাটো আনন্দকে ভুলে যাওয়া ঠিক নয়। মিষ্টির এই দিনটি যেন বলে—আজ একটু চিনি বাড়ুক, চিন্তা কমুক।
কীভাবে উদযাপন করবেন?
নিজের জন্য এক প্যাকেট টফি কিনে ফেলুন,
অফিস ডেস্কে বা বাড়িতে সবার সঙ্গে ভাগ করুন,
পুরোনো দিনের কোনো মিষ্টি স্মৃতি মনে করুন,
কিংবা ডায়েটের সঙ্গে একদিনের জন্য ছোট্ট ছুটি দিন।
এক টুকরো সুখ
জীবনের সব সমস্যার সমাধান টফিতে নেই—এ কথা সত্য। তবে একটা টফি মুহূর্তের জন্য হলেও হাসি এনে দিতে পারে। আর সেটুকুই তো অনেক। এই ইংলিশ টফি ডে– তে তাই বড় কিছু না, শুধু একটা টফি নিন— আর মনে মনে বলুন,
‘আজ একটু বেশি মিষ্টি হতেই পারে!’