বাগেরহাট: জেলার চিতলমারীতে বাড়িতে ঢুকে আমির হামজা (২৫) নামের এক শিক্ষার্থীকে গুলি করে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে উপজেলার শিবপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আমির হামজা শিবপুর গ্রামের রুহুল আমিন মুন্সির ছেলে। সে খুলনা সরকারি সুন্দরবন কলেজের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। পাশাপাশি একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চাকরি করতেন।
নিহতের স্বজনদের বরাতে পুলিশ জানান, বিকেল ৪টার দিকে বাড়ির উঠানে দাঁড়িয়ে বাবা ও চাচার সঙ্গে কথা বলছিলেন আমির হামজা। এ সময় তিনটি মোটরসাইকেলে ছয়জন যুবক হেলমেট পরিহিত অবস্থায় বাড়ির মধ্যে প্রবেশ করে পুলিশ পরিচয়ে আমির হামজাকে ধাওয়া দেয়। এ সময় হামজা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন এবং খালের পাড়ে পড়ে যায়। এ সময় হামজার মাথায় গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।
বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শামীম হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্ত্রাসীদের শনাক্ত এবং কি কারণে এ হত্যাকাণ্ড, তা উদঘাটনে জেলা পুলিশের পাশাপাশি, সিআইডি, পিবিআই ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা শুরু করেছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান।
এর আগে ১৪ মার্চ রাতে পার্শ্ববর্তী মোল্লাহাট উপজেলা সদর বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন সোহাগ শেখ (৪২) নামের এক ব্যবসায়ী। ওই ঘটনার ৭ দিন আগে ৭ মার্চ রাতে একই উপজেলার কাহালপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায় মহাসড়কের পাশ থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ব্যবসায়ী সোহাগের কর্মচারী নূর ইসলামকে (২৭) গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করেন স্থানীয়রা।