লক্ষ্মীপুর: পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সাধারণ মানুষের ভাগ্য জড়িত, তাই এই নির্বাচনকে হালকাভাবে দেখার কোনো সুযোগ নেই।’
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার হাজী ফতেহ মোহাম্মদিয়া দাখিল মাদরাসার বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘দলীয় প্রতীক না থাকায় এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে আরও বেশি প্রতিযোগিতামূলক। গ্রামীণ জনপদের উন্নয়নে জনবান্ধব ও সত্যিকারের প্রতিনিধিদের নির্বাচিত করতে এখন থেকেই ভোটার ও নেতাকর্মীদের সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।’
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচিত স্থানীয় প্রতিনিধি না থাকায় আমরা পদে পদে সংকটের মুখে পড়ছি। গত দেড় যুগের অপশাসনের প্রভাবে তৃণমূল পর্যায়ে এখন নানাবিধ সমস্যা প্রকট। অনেক এলাকায় চেয়ারম্যান-মেম্বাররা পলাতক বা অনুপস্থিত থাকায় জনসেবা ব্যাহত হচ্ছে। তবে যারা বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন, জনস্বার্থে আমরা তাদের সব ধরনের সহযোগিতা দেব।’
স্থানীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে এ্যানি চৌধুরী বলেন, ‘চেয়ারম্যান পদে দলের এমন ব্যক্তিকেই প্রার্থী হতে হবে যিনি জনবান্ধব এবং যার সঙ্গে জনগণের নিবিড় সম্পৃক্ততা রয়েছে। দলের ভেতরে একাধিক প্রার্থী হয়ে নিজেদের জয় হাতছাড়া করা যাবে না। ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সাধারণ মানুষের ভাগ্য জড়িত, তাই একে হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। সৎ ও যোগ্য প্রতিনিধি নির্বাচিত না হলে সাধারণ মানুষ বিপদে পড়বে। তাই সঠিক প্রার্থী বাছাইয়ে এখন থেকেই সবাইকে সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।’
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রীর একান্ত সচিব জামশেদ আলম রানা, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা, বাফুফের সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দীন চৌধুরী হ্যাপী এবং দিঘলী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম সারোয়ার প্রমুখ।