ভোলা: চলমান এসএসসি পরীক্ষায় ইংরেজি বিষয়ে খারাপ হওয়ায় তৈয়বা জাহান চৈতি (১৬) নামে এক পরীক্ষার্থী আত্নহত্যা করেছে।
সোমবার (৪ মে) ভোলা সদরের পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের অফিসার পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।
চৈতি শহরের মাছুমা খানম বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ছিল। তার বাবা পুলিশ কনস্টেবল মো.শাহাবুদ্দিন ফকির। তিনি ভোলার কোর্ট পুলিশ হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। এতাদের গ্রামের বাড়ি বরিশালের গৌরনদী উপজেলায়।
পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানান, চলমান এসএসসি পরীক্ষায় ইংরেজি বিষয়টি ভালো না হওয়ায় চৈতি মানসিকভাবে চিন্তাগ্রস্ত ছিল। সকালে তার বাবা বাজারে গিয়েছিল এবং মা ঘরের কাজে ব্যস্ত ছিল। এই ফাঁকে তিনি নিজ কক্ষের ভেতর ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস নেন। পরে চৈতির মা মেয়ের কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে দেখেন তিনি ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস দিয়ে ঝুলে আছে। তখন চৈতির মা চিৎকার দিলে আশেপাশের লোকজন গিয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।
ভোলা সদর মডেল থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাস্থলে আমি গিয়েছি, এটি আত্নহত্যা। এ ঘটনায় তার পরিবারের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।’
ওসি আরও বলেন, ‘পরীক্ষার রেজাল্ট যা-ই হোক, আগে আমাদের সন্তানদের বেঁচে থাকতে হবে। ভেঙে পড়া যাবে না। চৈতি একজন মেধাবী ছাত্রী। সে তার বাবা মায়ের একমাত্র কন্যা ছিলেন।’