পাবনা: পাবনা সদর উপজেলার দাপুনিয়ায় অপহরণের সাক্ষ্য দেওয়ার বিরোধের জের ধরে সাতজনকে হামলা করে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ইউনিয়নের ইসলাম গাতীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন দাপুনিয়া ইউনিয়নের ইসলাম গাতীপুর গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে মেহেদী হাসান দিলু (৫০), মেহেদী হাসান দিলুর ছেলে মো. ইসমাইল হোসেন (২৫), সাব্বির হোসেন (২৩), ইয়াকুব আলী খানের ছেলে জাকির হোসেন (২৫), মেহেদী হাসান দিলুর স্ত্রী আকলিমা খাতুন (৪৩), আবুল হোসেন খানের ছেলে ইয়াকু্ব আলী খান (৫৫) ও ইয়াকুব আলীর স্ত্রী মোছা. জহুরা খাতুন (৪৫)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ইসলাম গাতিপুর গ্রামের আরিফ শেখসহ সঙ্গবদ্ধ একটি চক্র গত ঈদুল ফিতরের দিন (২১ মার্চ) দুপুরে একটি মেয়েকে অপহরণ করে। এ অপহরণের বিষয়ে মেহেদী হাসান দিলু সাক্ষ্য দেন। তখন এ ঘটনা নিয়ে মেহেদী হাসান দিলুর সঙ্গে তাদের বিরোধ সৃষ্টি হয়। বিরোধের জেরে মঙ্গলবার বিকেলে মেহেদী হাসান দিলুর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে গালাগালি ও ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনায় হামলাকারীদের বাধা দিলে আরিফ শেখ ও জসিম উদ্দিনের নেতৃত্বে ১৫-২০ জনের সন্ত্রাসী বাহিনী ধারালো অস্ত্র, লাঠিসোটা ও জিআই পাইপ দিয়ে পুনরায় হামলা করে সাতজনকে আহত করে। এ সময় গুরুতরভাবে আহত হওয়া সবাইকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মেহেদী হাসান দিলু অভিযোগ করে বলেন, ‘পূর্ব বিরোধের জের ধরে আমাদের ৭-৮ জনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে। হামলাকারীরা এখনও আমাদের হুমকি দিচ্ছে। দ্রুত এদেরকে বিচারের আওতায় আনতে হবে।’
এ বিষয়ে পাবনা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (অফিসার ইনচার্জ) তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’