ফরিদপুর: জেলার সদর উপজেলার দুই নারীসহ তিনজনকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে আকাশ (২৮) নামে এক যুবক। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরেকজন।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাত সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার আলিয়াবাদ ইউনিয়নের ৫নম্বর ওয়ার্ড গদাধর ডাঙ্গী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- হত্যাকারী আকাশের ফুপু রাহেলা বেগম (৪৫), তার দাদী আমেনা বেগম (৭০) ও প্রতিবেশী কাবুল আহমেদ (৪০)। কাবুল ওই গ্রামের সুলতান আহমেদের ছেলে। তিনি পেশায় রিকশাচালক। তিনি তিন সন্তানের জনক ছিলেন।
জানা গেছে, ওই গ্রামের হারুন মোল্লার ছেলে আকাশ মোল্লা তার দাদি ও ফুপুকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। এ সময় দুজন প্রতিবেশী ঠেকাতে এলে তাদের একজনকেও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় আরেকজন আহত হয়েছেন। তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত ব্যক্তির নাম রিয়াজুল ইসলাম (৩৫)। তিনি ওই গ্রামের সিদ্দিক বাবুর্চির ছেলে।
আলিয়াবাদ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আমিন হোসেন বলেন, ‘রাত ১০টার দিকে খবর পেয়ে ওই বাড়ির উঠানে গিয়ে তিনজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখি। ঘাতক আকাশ পালিয়ে গেছে। তবে কী কারণে এমন হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।’
ঘাতক আকাশের বাবা হারুন মোল্যা জানান, তার মা ও বোনকে হত্যা করা হয়েছে। তার ছেলে আকাশ বেশ কয়েক বছর ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছে।
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘তিন জনকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ঘাতক আকাশকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। তাৎক্ষণিকভাবে হত্যাকাণ্ডের কারণ জানা যায়নি।’
তিনি জানান, নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।