সিলেট: ফাহিমা হত্যাকাণ্ডের ঘটনার রেশ কাটতে না কাঁটতেই সিলেট জেলা সদরের কান্দিগাঁও ইউনিয়ন এলাকায় ১৪ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় জনতা সন্দেহভাজন দু’জনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।
শুক্রবার (২২ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে তাদের আটক করা হয়। আটক দুই আসামি হলো— সালমান শাহ (৩২) ও আলী হোসেন (৩০)
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘোপাল পশ্চিমপাড়া গাংপার এলাকায় সন্ধার সময় ধর্ষণকারী সালমান আহমেদ কিশোরীর পার্শ্ববর্তী প্রতিবেশী হওয়ায় কিশোরীকে ডেকে নিয়ে যায় এবং একটি ঘরের মধ্যে ধর্ষণ করে এ সময় তার সঙ্গে আলী হোসেন নামের আরেক মাদকসেবী যুবক ছিল।
ধর্ষণের পর তারা কিশোরীকে মেরে ফেলার প্রস্তুতি নিচ্ছে এ সময় স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ সৃষ্টি হলে এলাকাবাসী বাড়িটি ঘেরাও করে রাখে। এবং ঘটনার পরপরই এলাকাবাসী সন্দেহভাজন দুইজনকে আটক করে। পরে তারা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আটককৃতদের নিজেদের হেফাজতে নেয়। বর্তমানে তাদের জালালাবাদ থানায় রাখা হয়েছে।
এদিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এলাকাবাসী জালালাবাদ থানায় অবস্থান নিয়েছে। সাধারণ বিক্ষুব্ধ জনতা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
আটকের সত্যতা নিশ্চিত করেন জালালাবাদ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শামসুল হাবিব। তিনি বলেন, ‘ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ দুইজনকে আটক করেছে। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এবং ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভুক্তভোগী কিশোরীর চিকিৎসা বিষয়েও কাজ চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) মো. মনজুরুল আলম বলেন, ভুক্তভোগী কিশোরীকে চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষার জন্য ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে।