Thursday 29 Jan 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

শেরপুরে সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহতের প্রতিবাদে জবিতে বিক্ষোভ

জবি করেসপন্ডেন্ট
২৯ জানুয়ারি ২০২৬ ০৮:২০

ক্যাম্পাসের সামনে থেকে পুরান ঢাকার তাতিবাজার ঘুরে বিশ্বজিৎ চত্বরের সামনে এসে বিক্ষোভটি শেষ হয়।

ঢাকা: শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচনি ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম নিহতের ঘটনায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে ক্যাম্পাসের মূল ফটকের সামনে থেকে পুরান ঢাকার তাতিবাজার ঘুরে বিশ্বজিৎ চত্বরের সামনে এসে প্রতিবাদী বক্তব্যের মাধ্যমে বিক্ষোভ সমাবেশটি শেষ হয়।

এ সময় শিক্ষার্থীরা নানা স্লোগান দিয়ে বলেন, “এ সময় তারেকের অনেক গুণ, হারার ভয়ে মানুষ খুন”, “নির্বাচনের প্রথম খুন”, “হারার ভয়ে মানুষ খুন”, “তারেক তুই জবাব দে—আমার ভাই মরল কেন”, “বিএনপির অনেক গুণ—হারার ভয়ে মানুষ খুন”, “জ্বালো রে জ্বালো, আগুন জ্বালো”, “তারেক জিয়ার সন্ত্রাসীরা হুঁশিয়ার সাবধান”। পাশাপাশি তারা আরও স্লোগান দেন, “আমার ভাই শহিদ কেন—তারেক তুই জবাব দে”। এসব স্লোগানের মাধ্যমে তারা হত্যাকাণ্ডের বিচার ও দায়ীদের জবাবদিহির দাবি জানান।

বিজ্ঞাপন

জকসুর শিক্ষা ও গবেষনা সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল বলেন, শুধুমাত্র ভিন্নমতের কারনে একজন মানুষ হত্যা করা হয়েছে। আমরা মনে করেছিলাম ১২ ফ্রেব্রয়ারি নির্বাচন হবে কোনোপ্রকার রক্তপাত ছাড়া। কিন্তু তারা এ দেশে রক্তের রাজনীতি শুরু করেছে। তারা চায় এদেশে আওয়ামী লীগের রাজনীতি কায়েম করতে। কিন্তু এদেশের ছাত্ররা এই রাজনীতি তাদের করতে দেবে না।

তিনি আরও বলেন, আমরা মনে করেছিলাম, তাদের রাজনীতির পরিবর্তন হবে, কিন্তু আমরা আমরা তার উল্টোটা দেখতে পেলাম।

ছাত্র শক্তির জবি শাখার সদস্য সচিব শাহিন মিয়া বলেন, আমরা দেখেছি বাংলার আকাশে এক সন্ত্রাসী সংগঠনের পয়দা হয়েছে। এদের রুখতে হলে আমাদের একতাবদ্ধ হতে হবে। আমরা হুঁশিয়ারি করে বলতে চাই আপনারা যে রাজনীতিতে আছেন তা থেকে সরে আসুন। নতুন রাজনীতি শুরু করুন। না হলে আপনারা প্রত্যাখিত হবেন।

শিবির নেতা সোহাগ আহমেদ বলেন, আমরা দেখেছি শেরপুর উপজেলা জামায়াত সেক্রেটারিকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা দেখেছি আমাদের মা-বোনদের গায়ে হাত দেওয়া হয়েছে, নির্যাতন করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন কোনো পদক্ষেপ নেইনি বলে এমন হচ্ছে। যে দলের নেতারা তৃণমূলকে কন্ট্রোল করতে পারে না তারা কিভাবে দেশ কন্ট্রোল করবে।

জবি শাখা ছাত্রশক্তির মুখ্য সংগঠক শেখ ফেরদৌস বলেন, এখনো সময় আছে জনগণের পালস বুঝে রাজনীতি করুন অন্যথায় ছিটকে যাবেন। প্রশাসনকে বলতে চাই যারা এর সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর