Wednesday 16 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

ডিএসসিসির বর্জ্যকে মূল্যবান সম্পদে রূপান্তর করা হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১২ মার্চ ২০২৬ ১৯:২৯

ঢাকা: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেছেন, পাইলট প্রকল্প সফল হলে ডিএসসিসির দৈনিক উৎপাদিত ৩২০০ থেকে ৩৫০০ টন বর্জ্যকে মূল্যবান সম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব হবে। এটি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে এবং ঢাকাকে একটি ‘ক্লিন সিটি ও গ্রিন সিটি’ তে পরিণত করবে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) নগর ভবনে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের লক্ষ্যে কোরিয়ান ভিত্তিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ‘বি অ্যান্ড এফ কোম্পানি’র সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলে ‘ঢাকা রিসোর্স সার্কুলেশন পার্ক’ (ডিআরসিপি) নির্মাণের বিস্তারিত মাস্টারপ্ল্যান উপস্থাপন করা হয়।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ডিএসসিসি’র ১০৯.২৪ বর্গ কি.মি. এলাকায় প্রতিদিন গড়ে ৩২০০ থেকে ৩৫০০ টন বর্জ্য উৎপাদিত হয়। বর্তমানে অপরিকল্পিত নগরায়ন ও জনসংখ্যার আধিক্যের কারণে সীমিত জনবল ও বাজেটের মাধ্যমে শতভাগ পরিচ্ছন্ন সেবা নিশ্চিত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে ৪টি মূল পরিকল্পনা নিয়েছে। সেগুলো হলো- ‘সার্কুলার ফিউচার মডেল’ বাস্তবায়ন, অঞ্চলভিত্তিক ‘মেটেরিয়াল রিকভারি সেন্টার’ (এমআরএফ) স্থাপন, ‘থ্রি আর’ নীতির প্রয়োগ এবং বর্জ্য থেকে শক্তি উৎপাদন। ডিএসসিসি সরকারের এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে কোরিয়ান প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি সই করেছে।

তিনি আরও বলেন, প্রস্তাবিত মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী, মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলের পুরাতন ১০০ একর জায়গা থেকে ল্যান্ডফিল গ্যাস আরোহন করা হবে। আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে এখান থেকে বছরে ১৫ হাজার টন মিথেন সংগ্রহের মাধ্যমে ৮১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ এবং সৌরশক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আরও ২৮ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া পাইলট ভিত্তিতে স্থাপিত এমআরএফ সেন্টারে দৈনিক ৩০০ টন গৃহস্থালী বর্জ্য ব্যবহার করে বায়োগ্যাস, কম্পোস্ট, বায়োফুয়েল, ইকো-ব্রিকস এবং বিএসএফ ও এসআরএফ উৎপাদন করা হবে।

আবদুস সালাম বলেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বাৎসরিক ৫ লাখ ১৫ হাজার টন কার্বন নিঃসরণ (tCO2e) হ্রাস করা সম্ভব হবে। এটি বৈশ্বিক উষ্ণায়ন লাঘবে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং কোরিয়ান প্রতিষ্ঠানের কারিগরি প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

বিশ্ব ওজোন দিবস আজ
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০:২৫

ঢাকার বাতাস আজ ‘অস্বাস্থ্যকর’
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৯:৫৭

আরো

সম্পর্কিত খবর