Friday 05 Jun 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ডিএনসিসি’র

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৫ জুন ২০২৬ ২১:০৫

ঢাকা: উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, রাজধানীতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় এআই ব্যবহারের ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে। এবার শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণেও এআই প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

শুক্রবার (৫ জুন) বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে রাজধানীর গুলশান-২ এলাকায় ডিএনসিসি, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ ও পরিবেশ অধিদফতরের সমন্বয়ে আয়োজিত শব্দ সচেতনতামূলক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রশাসক এ কথা বলেন।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকাকে নিরব এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে এবং আজ থেকে এই এলাকা নিরব এলাকা থাকবে। এখানে কোনো শব্দ দূষণ থাকবে না। কেউ যদি আইন অমান্য করে তাহলে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করবে।

বিজ্ঞাপন

প্রশাসক জানান , গুলশান, বনানী, নিকেতন ও বারিধারা নিরব এলাকা হিসেবে ঘোষিত এবং এসব এলাকার সোসাইটির সহযোগিতায় নগরবাসীর জন্য ডিএনসিসি শব্দ দূষণ ও বায়ু দূষণ মুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলতে পারবে।

তিনি বলেন, আমরা যদি আন্তরিকভাবে সচেষ্ট হই এবং যারা পরিবেশ নিয়ে কাজ করেন, তাদের সহযোগিতায় কিছুটা হলেও শব্দ দূষণ ও বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। আমরা বলছি না, একদিনেই এটা শতভাগ শেষ করা সম্ভব, তবে নগরবাসীর সহযোগিতায় আমরা কাজের মাধ্যমে এটা বাস্তবায়নের প্রমাণ করব।

সমাবেশে পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমান বলেন, শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে পরিবেশ অধিদফতর নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ঢাকা শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কের ডিভাইডারে সচেতনতামূলক বার্তা সম্বলিত সাইনবোর্ড টাঙ্গানো, পত্রিকা বিজ্ঞাপন প্রকাশ, বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে পিভিসি প্রচার এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্যাম্পিং পরিচালনা করা হচ্ছে।

ঢাকা মেট্রোপলটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিসুর রহমান বলেন, শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০২৫ এ ট্রাফিক পুলিশকে ক্ষমতা প্রদানের পর থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ ব্যাপকভাবে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করছে এবং এর সুফল নগরবাসী ধীরে ধীরে পাবেন।

সমাবেশে গুলশান সোসাইটি, নিকেতন সোসাইটি, বনানী সোসাইটি, বারিধারা সোসাইটির প্রতিনিধিরা, ডিএনসিসির সিনিয়র কর্মকর্তারা, পরিবেশ অধিদফতরের কর্মকর্তারা, গ্রীন সেভার্সের কর্তৃপক্ষ, ঢাকা মেট্রোপলিটনের পুলিশের সদস্যরা ও বিআরটি এর কর্মকর্তারাসহ সচেতন নাগরিক সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সারাবাংলা/এমএইচ/এসএস
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর