Friday 23 Jan 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

বাকৃবির প্রাঙ্গণে ১৯৯৬-৯৭ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের পদচারণা

বাকৃবি করেসপন্ডেন্ট
২৩ জানুয়ারি ২০২৬ ১৭:৪৪

বাকৃবি: ‘স্মৃতির টানে প্রিয় প্রাঙ্গণে, এসো মিলি প্রাণের বন্ধনে’- এই স্লোগানকে সামনে রেখে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ১৯৯৬–৯৭ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে পুনর্মিলনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এই মিলনমেলা। এরপর ক্যাম্পাসজুড়ে বের হয় বর্ণাঢ্য র‍্যালি। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার থেকে শুরু হয়ে পরিচিত সড়ক ঘুরে র‍্যালিটি গিয়ে শেষ হয় হেলিপ্যাডে।

র‍্যালি শেষে অ্যালামনাই ও তাদের সন্তানদের নিয়ে শুরু হয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। এরপর বিকেল ৪টায় একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। সন্ধ্যায় পিঠা উৎসব, অ্যালামনাইদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, র‍্যাফেল ড্র, আতশবাজি এবং আমন্ত্রিত অতিথিদের নিয়ে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা এবং সবশেষে গালা ডিনারের মাধ্যমে সমাপ্ত হবে আজকের অনুষ্ঠান।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (২৩ জানুয়ারি) অ্যালামনাইরা তাদের নিজ নিজ হলগুলো ঘুরে স্মৃতিচারণ করবেন। এরপর সকাল ১১টায় ১৯৯৬-৯৭ ব্যাচের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে একটি উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

পুনর্মিলনীর আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. বজলুর রহমান মোল্যা বলেন, আমাদের ব্যাচ ১৯৯৬-৯৭ সেশনের পুনর্মিলনী-২০২৬ অনুষ্ঠানে দূর-দূরান্ত থেকে বন্ধু ও তাদের পরিবার-পরিজনের উপস্থিতি বন্ধুত্বের দৃঢ়তা ও অঙ্গীকারের উজ্জ্বল প্রমাণ। এই পুনর্মিলনী অতীতের স্মৃতি, বর্তমানের আনন্দ এবং ভবিষ্যতের প্রত্যাশাকে একসূত্রে বেঁধেছে।

তিনি বলেন, রিইউনিয়ন-২০২৬ উপলক্ষ্যে প্রকাশিত স্মারক ‘সতীর্থ ৯৬-৯৭’ স্মারক প্রকাশনাটি হোক এই পুনর্মিলনের স্থায়ী দলিল এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মূল্যবান আর্কাইভ। প্রয়াত বন্ধুদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে তিনি তাদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

পুনর্মিলনীর আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব এস. এম. মুসা তালুকদার চমক বলেন, রি-ইউনিয়ন কেবল মিলনমেলা নয়, এটি পারস্পরিক সহযোগিতা, স্মৃতি সংরক্ষণ এবং সম্মিলিত লক্ষ্য নির্ধারণের নাম। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত, প্রতিটি সম্পর্ক এবং প্রতিটি অভিজ্ঞতা আমাদের আজকের অবস্থানে পৌঁছাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তাই এসব স্মৃতি লিপিবদ্ধ করে ‘সতীর্থ ৯৬-৯৭’ এ সংরক্ষণ করা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মূল্যবান সম্পদ।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর