Tuesday 03 November 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

‘দক্ষিণ এশিয়ায় শক্তিশালী প্রোডাকশন নেটওয়ার্ক গড়তে বাংলাদেশ কাজ করছে’

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
৩ নভেম্বর ২০২৬ ১৮:৪৮ | আপডেট: ৩ নভেম্বর ২০২৬ ১৮:৫০

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর -সংগৃহীত ফাইল ছবি

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার সহযোগিতা এ অঞ্চলের জন্য একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকাকে সংযুক্ত করে সমন্বিত উৎপাদন নেটওয়ার্ক স্থাপনের প্রস্তাব করে
তিনি বলেন, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে বৈশ্বিক উৎপাদন কেন্দ্র এবং রফতানি প্রবেশদ্বার হওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে শক্তিশালী প্রোডাকশন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। বিশ্বব্যাপী উৎপাদন কাঠামোয় দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব কাটিয়ে উৎপাদনের স্বাভাবিক ধারায় ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ সরকারের এ উদ্যোগ দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহে জনবান্ধব টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বিজ্ঞাপন

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট পলিসি ইনস্টিটিউট আয়োজিত ‘২৯তম টেকসই উন্নয়ন সম্মেলন’-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে গেস্ট অব অনারের বক্তব্যে সোমবার (২ নভেম্বর) ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এসব কথা বলেন।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ  বিষয়ে জানানো হয়।

রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, উন্নয়নশীল দেশগুলোর উচিত এমন বিনিয়োগ আকর্ষণ করা, যা অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা তৈরি করে, প্রযুক্তি হস্তান্তর করে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে। আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে শিক্ষা খাতে ব্যয় বর্তমানের প্রায় দুই শতাংশ থেকে বাড়িয়ে জিডিপির পাঁচ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রসঙ্গক্রমে তিনি আরও বলেন, চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবেলায় সুষম উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড প্রদানসহ সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এর মাধ্যমে যুদ্ধ, জ্বালানি সংকট ও বিগত সরকারের দু:শাসনের ফলে সৃষ্ট প্রলম্বিত অর্থনৈতিক সংকট ও দারিদ্র্য থেকে উত্তরণ সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পাকিস্তান সরকারের পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও বিশেষ উদ্যোগ বিষয়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রফেসর আহসান ইকবাল। চারদিনব্যাপী এ সম্মেলনে প্রায় ৫০টি প্যানেল ও প্লেনারি অধিবেশনে বিভিন্ন দেশের প্রায় ৩০০ জনেরও বেশি উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ ও রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখবেন, যাদের মধ্যে ১০০ জনেরও বেশি নারী রয়েছেন। দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, চীন এবং বিশ্বের অন্যান্য প্রান্ত থেকে প্রতিনিধিরা এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর