ঢাকা: ২০২৬-২৭ অর্থবছরে জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে দ্বিগুণ বরাদ্দ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতে ড্যাবের দফতর সম্পাদক ডা. এরফান আহমেদ সোহেল সাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্বাস্থ্যখাতে দ্বিগুণের বেশি বরাদ্দ প্রদান করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ড্যাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কেনান ও মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল।
এক যৌথ বিবৃতিতে ড্যাব তারা বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা, যা জিডিপির ১ দশমিক ১ শতাংশ। বরাদ্দের ঘোষণাকে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্নয়ন, মানবসম্পদ বিকাশ এবং জনগণের স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তির মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ। গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ ছিল ৩৫ হাজার ৪৭৭ কোটি টাকা, যা জিডিপির শূন্য দশমিক ৫৮ শতাংশ। এবারের বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে পূর্ববর্তী বছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ বরাদ্দ প্রদান প্রমাণ করে যে, বর্তমান সরকার জনগণের জীবনমান উন্নয়ন তথা স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নকে রাষ্ট্র পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দুতে স্থান দিয়েছে। যা স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ পর্যায়ক্রমিকভাবে জিডিপির ৫ শতাংশে বৃদ্ধির প্রাথমিক পদক্ষেপ।
ড্যাব নেতৃদ্বয় বলেন, উন্নত স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, রাষ্ট্র সংস্কার, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং কল্যাণমুখী অর্থনৈতিক ব্যবস্থার যে অঙ্গীকার বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে জনগণের সামনে তুলে ধরেছিল, স্বাস্থ্যখাতে এই অভূতপূর্ব বিনিয়োগ বিএনপির সেই জনকল্যাণমুখী রাজনৈতিক দর্শনেরই বাস্তব প্রতিফলন। একটি মানবিক ও উন্নত রাষ্ট্র বিনির্মাণে স্বাস্থ্যসেবা খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার যে দৃষ্টান্ত বর্তমান সরকার প্রদর্শন করেছে, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার।
তারা বলেন, স্বাস্থ্যখাতের এই বরাদ্দ ইউনিভার্সাল হেলথ কাভারেজকে শক্তিশালী করবে এবং সরকারি হাসপাতালসমূহের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতকরণ, পর্যাপ্ত সংখ্যক চিকিৎসক-নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়ন এবং সর্বোপরি সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার প্রাপ্তির মান উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন ও জনগণের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে দেশের চিকিৎসক সমাজ সরকারের সকল ইতিবাচক উদ্যোগে অতীতের ন্যায় ভবিষ্যতেও সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতা, পেশাদারিত্ব ও সহযোগিতাপূণ ভূমিকা পালন করবে বলে জানিয়েছেন ড্যাবের সদস্যরা।