ঢাকা: চলতি জুন মাসের শেষের দিকে চীন সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বর্তমানে চীন সফররত জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এ কথা জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) চীনের ইউনান প্রদেশের কুনমিংয়ে সপ্তম চায়না-সাউথ এশিয়া কো-অপারেশন ফোরামে বক্তব্য দিতে গিয়ে কায়সার কামাল বলেন, ‘নতুন সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয় দেশ হিসেবে সফরের জন্য চীনকে বেছে নিয়েছেন।’
ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উম্মোচন করবে এবং উভয় দেশের সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতাকে আরেক ধাপ এগিয়ে দেবে।’
তিনি শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের চীন সফরের কথা তুলে ধরে বলেন, ‘বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কের শুভসূচনা হয় তার হাত ধরেই। এরই ধারাবাহিকতায় বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১ ও ২০০২ সালের ঐতিহাসিক চীন সফরে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও জোরদার করেন।’
দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারের অভজারভার দেশ হিসেবে চীন ‘সার্ক’কে কাজে লাগাতে পারে বলে ডেপুটি স্পিকার মনে করেন। তিনি বলেন, ‘বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব, উন্নয়নশীল দেশগুলোর ক্রমবর্ধমান ঋণের বোঝা, বিশ্ববাণিজ্যের ক্রমবর্ধমান অস্থিতিশীলতা ইত্যাদি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা কোনো একক দেশের পক্ষে সম্ভব নয়। এ জন্য আঞ্চলিক সহযোগিতা বর্তমান বিশ্বে একটি অপরিহার্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।’
ডেপুটি স্পিকার চীনা প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানালে তারা আন্তরিকভাবে সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং অচিরেই বাংলাদেশ সফর করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন। চীন সফরে সংসদীয় দলের অন্যরা হলেন এনসিপির সদস্য সচিব আকতার হোসেন এমপি, বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব ও সংরক্ষিত স্বতন্ত্র এমপি জেসমিন সুলতানা জুঁই।