আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পারস্য উপসাগরে তেল স্থাপনা এবং ট্যাঙ্কারগুলোতে ইরানের হামলা তীব্রতর হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সিএনএন এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যখন একাধিক উপসাগরীয় দেশ ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করছে এবং আমেরিকা, ইসরায়েল ও ইরান মধ্যপ্রাচ্যে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে তখন তেলের ট্যাংকারে আক্রমণ বেড়েছে।
এই দিন ইরাকের আল-ফাও বন্দরে দুটি বিদেশি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার ঘটনায় একজন নাবিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও ৩৮ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরাকি সেনাবাহিনীর একজন মুখপাত্র। ইরাক নিউজ এজেন্সির (আইএনএ) এ তথ্য দিয়েছে।
বাহরাইন জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় ভোররাতে দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় মুহররাক গভর্নরেটের একটি স্থাপনার জ্বালানি ট্যাংক লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইরান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘মুহররাক গভর্নরেটের একটি স্থাপনার জ্বালানি ট্যাংকে ইরানি আগ্রাসন চালানো হয়েছে।’
ইরাকের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইএনএ জানিয়েছে, একটি ট্যাংকারে জ্বালানি পণ্য ভরার কাজ চলার সময় সেটি হামলার শিকার হয়। তিনি আরও জানান, আক্রান্ত ছোট ট্যাংকারগুলোর একটি মাল্টার পতাকাবাহী ছিল। জাহাজটিতে বিস্ফোরণ ঘটেছে।
ইরাকের জ্বালানি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার ঘটনায় দেশটির সব কয়টি জ্বালানি বন্দরের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে বাণিজ্যিক বন্দরগুলোর কার্যক্রম আগের মতোই সচল রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি তেল সরবরাহ ব্যবস্থা ও অবকাঠামোতে ইরানের নতুন করে হামলার প্রভাবে তেলের বাজারে এ ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম আবারও ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার (১২ হাজার ২৯৫ টাকা) ছাড়িয়েছে।