যুক্তরাজ্য সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং পদত্যাগ করেছেন।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (১৪ মে) স্ট্রিটিংয় পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
বৃহত্তর ম্যানচেস্টারের মেয়র অ্যান্ডি বার্নহামকে পার্লামেন্টে ফিরে আসার সুযোগ করে দিতেই তার এই পদক্ষেপ, যাতে বার্নহাম স্টারমারকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেন।
অন্রদিকে, স্ট্রিটিংয়ের পদত্যাগের ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পরই লেবার পার্টির এমপি জশ সাইমন্স তার সংসদ সদস্যপদ ছাড়ার ঘোষণা দেন।
এর ফলে কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্বাধীন লেবার পার্টি বড় ধরনের সংকটে পড়েছে। মাত্র দুই বছরের কম সময়ের মধ্যে টালমাটাল এই পরিস্থিতির কারণে স্টারমারের প্রধানমন্ত্রিত্ব এখন হুমকির মুখে।
গত সপ্তাহে স্থানীয় নির্বাচনে দলের ভরাডুবির পর থেকেই পদত্যাগের ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী স্টারমার।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে স্ট্রিটিং লিখেছেন, স্টারমারের নেতৃত্বের ওপর তার আর ‘আস্থা’ নেই। তিনি আরও বলেন, ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসজুড়ে দলের পরাজয়ের পেছনে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রিয়তাহীনতাই ‘প্রধান কারণ’।
এই নেতা স্টারমারকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘এটি এখন পরিষ্কার যে আপনি আগামী সাধারণ নির্বাচনে লেবার পার্টির নেতৃত্ব দিতে পারবেন না। লেবার এমপি ও ইউনিয়নগুলো এখন চায় পরবর্তী নেতৃত্ব নিয়ে একটি গঠনমূলক বিতর্ক হোক, যা ব্যক্তিত্বের লড়াই বা সংকীর্ণ দলীয় কোন্দলের ঊর্ধ্বে থাকবে।’
স্ট্রিটিংয়ের এ ঘোষণা সরাসরি নেতৃত্বের চ্যালেঞ্জ না হলেও স্টারমারের ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি করেছে। তবে স্ট্রিটিং এটি স্পষ্ট করেননি যে নেতৃত্বের লড়াই শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় ৮১ জন এমপির সমর্থন তার কাছে আছে কি না।
এখন পর্যন্ত চারজন কনিষ্ঠ মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন এবং ৮০ জনেরও বেশি এমপি স্টারমারকে পদ ছাড়ার অথবা সরে দাঁড়ানোর সময়সীমা নির্ধারণের আহ্বান জানিয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য চ্যালেঞ্জ জানাননি।