ইয়েমেনের তাইজ গভর্নরেটের বিভিন্ন এলাকায় হুথিদের সমাবেশ, সামরিক প্রস্তুতি এবং অতিরিক্ত সৈন্য ও রসদ মোতায়েনের স্থানগুলোকে লক্ষ্য করে ৭১টি সুনির্দিষ্ট অভিযান চালানোর দাবি করেছে দেশটির সরকারি বাহিনী।
রোববার (৪ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল আরাবিয়া।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব অভিযানে হুথিদের বেশ কিছু পরিবহন ও সহায়তা প্রদানকারী যান ধ্বংস করা হয়েছে, মিলিশিয়া সদস্যদের নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে এবং দলটির লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা ব্যাহত করা হয়েছে বলে দাবি করেছে সরকারি বাহিনী।
জাবাল হান-এর একজন ইয়েমেনি সামরিক কমান্ডার জানিয়েছেন, ‘তাইজ শহরকে অবরুদ্ধ করার উদ্দেশ্যে জাবাল হান দখলের হুথিদের প্রচেষ্টা আমরা নস্যাৎ করে দিয়েছি।’
তিনি আরও জানান, হুথিদের সঙ্গে সারা রাত ধরেই তাদের সংঘর্ষ চলেছে।
এদিকে, ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীর যুদ্ধবিমানগুলো তাইজের দক্ষিণে হাইফান ও রাসিন ফ্রন্টে হুথিদের অবস্থান এবং অতিরিক্ত সৈন্য ও রসদ মোতায়েনের স্থানগুলোকে লক্ষ্য করে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে।
এছাড়া, হুথিদের সাথে তীব্র সংঘর্ষের পর ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী দক্ষিণ-পূর্ব তাইজের সামাহ দুর্গের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছে।
একটি সামরিক সূত্র ইয়েমেনি বার্তা সংস্থা ‘সাবা’-কে জানিয়েছে, “সামাহ জেলার ‘পপুলার রেজিস্ট্যান্স’ বা গণ-প্রতিরোধ যোদ্ধাদের সহায়তায় সশস্ত্র বাহিনী হুথি মিলিশিয়াদের সাথে তীব্র লড়াইয়ের পর সামাহ দুর্গের নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম হয়েছে।”
সূত্রটি আরও জানায়, ‘এই অভিযানের ফলে হুথি মিলিশিয়াদের কয়েক ডজন সদস্য নিহত ও আহত হয়েছেন এবং অন্যরা এলাকা থেকে পালিয়ে গেছেন।’
তাছাড়া, ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী ঘোষণা করেছে যে, তাদের যুদ্ধবিমানগুলো সানায় হুথিদের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ধারাবাহিক বিমান হামলা চালিয়েছে।
সশস্ত্র বাহিনীর আনুষ্ঠানিক মুখপাত্র কর্নেল মাজেদ আল-নাজিলি জানিয়েছেন, তারা সানায় নির্দিষ্ট কিছু লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছেন।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘হুথিদের বিরুদ্ধে কৌশলগত হামলা চালানোর সক্ষমতা সশস্ত্র বাহিনীর রয়েছে।’