Sunday 03 May 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

হাছান মাহমুদ-নওফেলসহ ১৭ জন পলাতক, বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৩ মে ২০২৬ ১৬:৪৭ | আপডেট: ৩ মে ২০২৬ ১৬:৪৯

সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

ঢাকা: চব্বিশের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান চলাকালে ছাত্রদল নেতা ওয়াসিমসহ ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদসহ ১৭ জনকে এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ অবস্থায় তাদের আত্মসমর্পণের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

রোববার (৩ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বে গঠিত দুই সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। অপর সদস্য ছিলেন বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

শুনানিতে প্রসিকিউশনের পক্ষে অংশ নেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ ও জহিরুল আমিন। তারা আদালতকে জানান, এ মামলায় মোট আসামি ২২ জন। এর মধ্যে চারজন ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছেন। বাকি ১৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকলেও স্থায়ী ও অস্থায়ী ঠিকানায় অভিযান চালিয়ে তাদের কাউকেই পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া একজন অন্য মামলায় আটক থাকায় তার বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চাওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল ১৭ জন পলাতক আসামিকে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি অন্য এক আসামির বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়।

এদিন সকালে কারাগার থেকে চার আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। তারা হলেন চট্টগ্রাম-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী, যুবলীগ নেতা আজিজুর রহমান, তৌহিদুল ইসলাম ও মো. ফিরোজ।

পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সাবেক মেয়র আ জ ম নাসির উদ্দীন, রেজাউল করিম, মহিউদ্দিন বাচ্চু, হেলাল আকবর, নুরুল আজিম রনি, শৈবাল দাশ সুমন, আবু ছালেক, এসবারুল হক, এইচএম মিঠু, নূর মোস্তফা টিনু, দেবাশীষ পাল দেবু, জমির উদ্দিন, ইমরান হাসান মাহমুদ, জাকারিয়া দস্তগীর, মহিউদ্দিন ফরহাদ ও সুমন দে।

এর আগে, গত ৭ এপ্রিল তিনটি অভিযোগে ২২ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গ্রহণ করে ট্রাইব্যুনাল-২। ৫ এপ্রিল প্রসিকিউশন আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করে।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, প্রথম অভিযোগে ওয়াসিম আকরাম, ফয়সাল আহমেদ শান্ত ও মো. ফারুককে হত্যার দায় আনা হয়েছে। দ্বিতীয় অভিযোগে তানভীর সিদ্দিকী, সায়মন ওরফে মাহিম এবং হৃদয় চন্দ্রকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। তৃতীয় অভিযোগে জাহিদ হাসান, আবদুল কাদের, আছিয়া খাতুন, সানজিদা সুলতানাসহ শতাধিক ছাত্র-জনতাকে গুরুতর আহত করার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।