চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে র্যাব সদস্যকে হত্যাকারী সন্ত্রাসীরা ‘রাষ্ট্রের চেয়ে শক্তিশালী নন’ উল্লেখ করে বাহিনীর মহাপরিচালক একেএম শহিদুর রহমান বলেছেন, জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের অভয়াশ্রম যে কোনোমূল্যে নির্মূল করা হবে। এই অবৈধ কর্মকাণ্ডের আস্তানা আমরা ভেঙেচুরে গুড়িয়ে দেব।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে নগরীর পতেঙ্গায় র্যাবের চট্টগ্রাম অঞ্চলের সদর দফতরে প্রেস ব্রিফিংয়ে র্যাব মহাপরিচালক এ কথা বলেন। সেখানে নিহত র্যাব সদস্যের নামাজে জানাজা শেষে তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন।
এর আগে, সোমবার সন্ধ্যায় সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অভিযানে যাওয়া র্যাব সদস্যদের ওপর অতর্কিতে হামলা চালায় একদল সন্ত্রাসী। এতে র্যাব সদস্য বিজিবির নায়েক সুবেদার মো. মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া (৪৮) নিহত হন। তার বাড়ি কুমিল্লা জেলায়। একই হামলায় আরও তিনজন র্যাব সদস্য আহত হন। তারা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
র্যাবের ভাষ্য, ‘অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী’ অবস্থানের খবর পেয়ে তাদের গ্রেফতারে অভিযানে গিয়েছিল র্যাবের একটি টিম। এ সময় র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে মাইকে ঘোষণা দিয়ে আনুমানিক ৪০০ থেকে ৫০০ জন দুষ্কৃতকারী র্যাব সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
এ ঘটনায় হত্যা মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে জানিয়ে ব্রিফিংয়ে র্যাব মহাপরিচালক একেএম শহিদুর রহমান বলেন, ‘জঙ্গল সলিমপুর সন্ত্রাসীদের একটা আড্ডাখানা, একটা ডেনে (আখডা) পরিণত হয়েছে। এটি আমরা খুব শিঘ্রই আইনানুগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, এখানে যারা অবৈধভাবে বসবাস করছে, অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আছে, তাদের আমরা নির্মূল করবো। এই অবৈধ কর্মকাণ্ডের আস্তানা আমরা ভেঙেচুরে গুড়িয়ে দেব। এটুকু আমরা আপনাদের কথা দিতে পারি।’

নিহত মোতালেবের স্ত্রী এবং ছেলে ও দুই মেয়ে র্যাব মহাপরিচালকের সঙ্গে দেখা করেন।
উল্লেখ্য, সীতাকুণ্ডের দুর্গম পাহাড়ী এলাকা জঙ্গল সলিমপুর পাহাড়ে ৫টি মৌজায় প্রায় ৩১০০ একর সরকারি খাসজমি আছে। ‘চট্টগ্রাম মহানগর ছিন্নমূল বস্তিবাসী সমন্বয় সংগ্রাম পরিষদ’সহ আরও বিভিন্ন সংগঠনের নামে সেই খাসজমি দখল করে প্রায় তিন দশক ধরে সেখানে পাহাড় কেটে ও জঙ্গল সাফ করে প্লট বিক্রি করা হয়। নিম্ন আয়ের লোকজন সেই প্লট কিনে সেখানে বসতি ও দোকানপাট গড়ে তোলে, যার মধ্যে মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাও আছে। জেলা প্রশাসন বেশ কয়েকবার উদ্যোগ নিয়েও সেখান থেকে তাদের সরাতে পারেনি। সর্বশেষ জনশুমারি অনুযায়ী ওই এলাকায় প্রায় ১৯ হাজার মানুষ বসবাস করে।
২০২২ সালে এ খাস জমি দখলমুক্ত করে করার জোরালো উদ্যোগ নিয়ে জেলা প্রশাসন সেখানে ‘পাহাড় ব্যবস্থাপনা ক্যাম্প ও চেকপোস্ট’ স্থাপন করে। তবে ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর জঙ্গল সলিমপুর আবারও সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। ২০২৫ সালের ৪ অক্টোবর ভোরে জঙ্গল সলিমপুরের আলিনগর এলাকায় ইয়াছিন ও রোকন-গফুর বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষে ব্যাপক গোলাগুলি হয়। তখন গুলিবিদ্ধ হয়ে রোকন বাহিনীর এক সদস্য নিহত হন এবং আহত হন বেশ কয়েকজন।
ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে র্যাব মহাপরিচালক যৌথবাহিনী গঠন করে জঙ্গল সলিমপুরে অভিযান চালানো হবে জানিয়ে বলেন, ‘আমরা এবার চেষ্টা করব, দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার যতগুলো বাহিনী আছে সেনাবাহিনীসহ, আপানারা জানেন সেনাবাহিনী এখন মাঠে দায়িত্বরত আছে। সুতরাং সকল বাহিনী- সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব, এপিবিএন, জেলা পুলিশ সবাই মিলে… আমরা জেলা প্রশাসনের সঙ্গে অলরেডি যোগাযোগ করেছি, এখানে এই যে একটা অভয়াশ্রম তৈরি হয়েছে সন্ত্রাসীদের, এই জায়গাগুলো যদি সরকারি জায়গা হয়, সরকার যেন তার এই জায়গা উদ্ধারের ব্যবস্থা গ্রহণ করে।’

‘সেখানে যত সময় লাগে এবং যতদিন লাগে, এই সন্ত্রাসীদের অভয়াশ্রম সেটাকে আমরা নির্মূল করব। এ জন্য আমাদের যতদিন যে প্রক্রিয়া লাগে, যা কিছু লাগে…। কারণ তারা কোনোভাবেই রাষ্ট্রের চেয়ে শক্তিশালী না, এটা আমাদের বুঝতে হবে। এতদিন এটা করা হয়নি, বাট এবার ইনশল্লাহ এই সন্ত্রাসীদের যে অভয়াশ্রম এটা আমরা নির্মূল করব ইনশাল্লাহ।’
স্বল্প জনবল নিয়ে অভিযানে যাওয়া এবং কৌশলগত কোনো ভুলত্রুটি ছিল কী না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের জনবল একেবারে কম ছিল না। পঞ্চাশ জনের ওপরে সদস্য ছিল এবং আমাদের যে পরিকল্পনা ছিল, তাতে ওখানে আমাদের অপারেশন সফলভাবে সম্পন্ন করা যাবে, এ ধরনের একটি ধারণার বশবর্তী হয়েই কিন্তু অভিযানটা পরিচালনা করা হয়েছিল। একটা তদন্ত পর্ষদ গঠন করা হয়েছে। তারা তদন্ত করে দেখবে যে অভিযানে কোনো ভুলত্রুটি ছিল কী না। যদি কোনো ভুলত্রুটি পাওয়া যায় তাহলে সেটা কারেকশন করে ভবিষ্যতে আমরা আরও ভালোভাবে, আরও দৃঢ়ভাবে, আরও সফলতার সঙ্গে অভিযান পরিচালনা করব।’
‘রাইট অব প্রাইভেট ডিফেন্সে আমাদের অধিকার ছিল সন্ত্রাসীদের গুলি করা। কিন্তু আমরা তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি বিবেচনায় এবং সেখানে হয়তো আরও ক্যাজুয়ালিটির আশঙ্কা ছিল, আমাদের সদস্যরা সন্ত্রাসীদের দিকে গুলি ছুঁড়লে সাধারণ জনগণও আহত-নিহত হওয়ার আশঙ্কার কারণে হয়তো তারা গুলি করেনি। তবে আমরা পুরো অভিযানটি একটি এনকোয়ারি করে দেখব যে এখানে আমাদের কোনো ভুলত্রুটি আছে কী না। ভুলত্রুটি থাকলে সেগুলো সংশোধন করে ভবিষ্যতে আমরা আর সফলতার সঙ্গে এই অভিযানগুলো পরিচালনা করব।’
রাজনৈতিক দলের কার্যালয় থেকে মাইকে ঘোষণা এবং হামলকারীদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘র্যাব কিছু সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করতে গিয়েছিল। এই সন্ত্রাসীরাই র্যাবের ওপর আক্রমণ করেছে। আমরা তাদের নাম পেয়েছি এবং তাদের গ্রেফতারের জন্য আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। আমরা পুরো বিষয় তদন্ত করব। একটি হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে এবং সেই মামলার তদন্ত হবে। তদন্তের মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ড এবং র্যাবের ওপর আক্রমণ, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত যাদের পাওয়া যাবে, তাদের আমরা আইনের আওতায় নিয়ে আসব। মামলার যিনি তদন্তকারী কর্মকর্তা, বিষয়টি (রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা) তারাই বলতে পারবেন যে কারা কারা সম্পৃক্ত আছে। ইনশাল্লাহ খুব শিগগিরই এটা বেরিয়ে আসবে কারা কারা এর সঙ্গে জড়িত।’
নিহত মোতালেবের পরিবারের পাশে র্যাব থাকবে উল্লেখ করে মহাপরিচালক বলেন, ‘শহিদ মোতালেবের পরিবারের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। তার স্ত্রী স্বামী হারিয়েছেন, সন্তানরা পিতা হারিয়েছেন। আমরা সেই পিতা বা স্বামীকে এনে দিতে পারব না। তবে আমরা এটা নিশ্চিত করতে চাই, এই পরিবারের দায়িত্ব আমরা গ্রহণ করলাম। এই পরিবারের সঙ্গে আমরা থাকব, মোতালেবের অবর্তমানে তার পরিবার যেন কোনো ধরনের কষ্ট স্বীকার না করে, যদিও আমরা পিতা বা স্বামীকে ফিরিয়ে দিতে পারব না। আমরা এই পরিবারের সঙ্গে ইনশাল্লাহ আছি।’
‘সুবেদার মোতালেব শহিদ হলেন, এর জন্য যারা দায়ী তাদের আমরা আইনের আওতায় নিয়ে আসব। আমরা তাদের জুডিশিয়াল প্রসেসে, বিচারিক কার্যক্রমের মাধ্যমে যাতে তাদের সাজা নিশ্চিত হয়, সেটি আমরা নিশ্চিত করবো যে কোনো মূল্যে। আমি কথা দিতে চাই, মামলার বিচারের রায় কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন পুরো বিষয় মনিটরিং করবে। আমরা বিচারের রায় পর্যন্ত এটা মনিটর করব এবং বিচার নিশ্চিত করব। আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করে যাব। আবারও আশ্বস্ত করতে চাই, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হওয়া পর্যন্ত এর পেছনে লেগে থাকবে।’
তিনি বলেন, ‘২০০৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত র্যাবের ৭৫ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে শহিদ হয়েছেন। সেই সংখ্যা আজ আরও একজন বাড়ল। আমরা আশ্বস্ত করতে চাই, এ দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য, অপরাধ দমনের জন্য আমরা সর্বশক্তি দিয়ে কাজ করব, আমরা সাহসিকতার সঙ্গে কাজ করব। যে কোনো ঝুঁকি নিয়ে হলেও আমরা দেশবাসীর নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করে যাব।’
‘আপনারা জানেন, আমরা জুলাই-আগস্টের পরে গত দেড় বছরে অনেক সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছি, অনেক অস্ত্র উদ্ধার করেছি। প্রত্যেকটা অভিযানের পেছনেই কিন্তু একটা নির্দিষ্ট পরিমাণে ঝুঁকি থাকে। সেই ঝুঁকিগুলোকে মোকাবিলা করেই আমরা অভিযান পরিচালনা করি। হয়তো দুয়েক ক্ষেত্রে দুয়েকটি ব্যতিক্রম হয়। এই ঘটনাটাও সেরকম। তবে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, র্যাব এ দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য, এ দেশের মানুষের জানমালের নিরাপত্তার জন্য, অপরাধ দমনের জন্য অন্যান্য যে নিয়মিত বাহিনী আছে, তার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যাবে।’
ভবিষ্যতে র্যাবের কার্যক্রমে জনগণের সহযোগিতা চেয়ে র্যাব মহাপরিচালক বলেন, ‘আমি আপনাদের কাছে সহযোগিতা চাই, এ দেশের জনগণ এবং সাংবাদিকরা, আমাদের কার্যক্রমে সবসময় আপনারা সহযোগিতা করেছেন। আপনাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে আশা করি এবং আপনাদের সহযোগিতা নিয়েই আমরা এ দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার কাজে নিয়োজিত থাকব এবং আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন যাতে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়, আমরা সর্বশক্তি দিয়ে সেই কাজ করে যাব।’
জানাজার আগে, নিহত মোতালেবের স্ত্রী এবং এক ছেলে ও দুই মেয়ে র্যাব মহাপরিচালকের সঙ্গে দেখা করেন। তিনি তাদের সান্ত্বনা দেন। সেখান থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সামনে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন মোতালেবের স্ত্রী-সন্তানেরা। তারা হত্যাকারীদের ফাঁসি দাবি করেন।
এদিকে জঙ্গল সলিমপুরে সংঘটিত ঘটনার বিষয়ে সকালে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শিল্পাঞ্চল ও ডিবি) মো. রাসেল সাংবাদিকদের বলেন, ‘র্যাবের একটি দল সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় একজন বা একাধিক আসামি গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে অভিযান চালায়। অভিযানের সময় স্থানীয় জনতার সঙ্গে র্যাব সদস্যদের সংঘর্ষ হয়। এতে চারজন র্যাব সদস্যকে স্থানীয় লোকজন নিয়ে যায় এবং একজন সদস্য গুরুতর আহত হন। সংবাদ পাওয়ার পরপরই চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অতিরিক্ত ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। পরে স্থানীয় জনতার কাছ থেকে আটক র্যাব সদস্যদের উদ্ধার করা হয়। এ সময় তাদের সঙ্গে থাকা অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে।’
এখনো মামলা করা না হলেও জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজ ও বিভিন্ন ভিডিও পর্যালোচনা করা হচ্ছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওসহ বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। তবে জড়িতদের অবস্থান শনাক্ত করে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে।’
জঙ্গল সলিমপুরে বারবার র্যাব-পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় বিপুলসংখ্যক বিক্ষিপ্ত জনগোষ্ঠীর বসবাস। স্থানীয় লোকজনের চেয়ে বাইরের এলাকা থেকে আসা মানুষের সংখ্যা বেশি। এ কারণে অল্প সংখ্যক জনবল নিয়ে অভিযান চালালে ঝুঁকি বেড়ে যায়। এ ধরনের এলাকায় অভিযান পরিচালনার আগে থ্রেট অ্যানালাইসিস করে অধিক সংখ্যক ফোর্স নিয়ে নামা প্রয়োজন। এটি পুলিশের দুর্বলতা নয়। পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে। সামনে নির্বাচন থাকায় বিষয়টিকে আরও গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে।’
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাসেল জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ, র্যাব, সেনাবাহিনীসহ সব বাহিনীর সমন্বয়ে দ্রুত একটি যৌথ অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতরা গ্রেফতার না হওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।