ঢাকা: বর্তমানে ঢাকার বাতাসের মান ‘মোটামুটি সহনীয়’ বা মডারেট পর্যায়ের রয়েছে, যা শহরবাসীর জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর।
আন্তর্জাতিক বায়ুমান সূচক অনুযায়ী, ঢাকার বর্তমান অবস্থান এবং বাতাসের মান খুব একটা ঝুঁকিপূর্ণ নয়, তবে দূষণ নিয়ন্ত্রণে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
বিশ্বব্যাপী বায়ুদূষণের সাম্প্রতিক তালিকায় শীর্ষ দুটি শহরের দিকে তাকালে দেখা যায়, বর্তমানে তালিকার প্রথম স্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর এবং দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের দিল্লি। এই শহরগুলোর তুলনায় ঢাকা বর্তমানে তুলনামূলক ভালো অবস্থানে থাকলেও, বায়ুর মান যেন কোনোভাবেই খারাপের দিকে না যায়, সে বিষয়ে জনসচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। বায়ুর এই মোটামুটি সহনীয় অবস্থাকে বজায় রাখতে এবং নিজের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কিছু জরুরি নিয়ম মেনে চলা আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব।
বায়ুদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচতে বাইরের পরিবেশের দিকে নজর রাখা এবং সেই অনুযায়ী জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। যদি বাতাসের মান সূচক বৃদ্ধি পায় বা অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে চলে যায়, তবে শিশু, বয়স্ক এবং শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিদের ঘরের বাইরে বের হওয়ার ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। নিয়মিত মাস্ক ব্যবহার করা, বিশেষ করে জনাকীর্ণ এলাকায় হাঁটাচলা করার সময়, বাতাসের ধূলিকণা থেকে সুরক্ষা দিতে পারে। ঘরের ভেতরের বাতাস যাতে বিশুদ্ধ থাকে, সেজন্য পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা রাখা এবং প্রয়োজনবোধে এয়ার পিউরিফায়ার ব্যবহার করা যেতে পারে।
এ ছাড়া সড়কের ধুলোবালি নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত পানি ছিটানো এবং নির্মাণাধীন স্থাপনাগুলো ঢেকে রাখার মতো বিষয়গুলো নিশ্চিত করা গেলে বায়ুর মান আরও উন্নত রাখা সম্ভব। ব্যক্তিগত পর্যায়ে সচেতনতা এবং নিয়মিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমেই আমরা একটি সুন্দর ও দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলতে পারি।