Sunday 25 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

বিশ্বব্যাপী চক্ষু স্বাস্থ্যসেবায় নেতৃত্বে থাকবে বাংলাদেশ: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
১৫ জুলাই ২০২৬ ১৮:২৩

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ও আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য এবং চক্ষু বিশেষজ্ঞ ড. এম এ মুহিত। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: বিশ্বব্যাপী চক্ষু স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অনন্য এক নেতৃত্বের জায়গায় পৌঁছাতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ও আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য এবং চক্ষু বিশেষজ্ঞ ড. এম এ মুহিত।

তিনি জানান, বিশ্বে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ‘গ্লোবাল সামিট অন আই হেলথ’-এর সহ-আয়োজক হিসেবে বাংলাদেশ কাজ করতে সম্মত হয়েছে, যা দেশের স্বাস্থ্য খাতের সংস্কারকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরবে।

বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে ‘বাংলাদেশে অন্ধত্ব প্রতিরোধ ও দৃষ্টিশক্তি হ্রাস কমাতে চক্ষু চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়নে বিশেষ রোডম্যাপ’ শীর্ষক এক প্রস্তুতিমূলক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

সভায় স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামানসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, শহর থেকে গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সরকার, বেসরকারি খাত এবং দেশি-বিদেশি সংস্থার সমন্বয়ে একটি সমন্বিত ‘ন্যাশনাল আই কেয়ার প্ল্যান’ গড়ে তোলা হচ্ছে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী সপ্তাহে একটি ‘ন্যাশনাল স্টেকহোল্ডার ওয়ার্কশপ’ অনুষ্ঠিত হবে এবং আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করবে ‘স্পেক্স ২০৩০’ ইনিশিয়েটিভ।

চক্ষু সেবার ক্ষেত্রে তিনটি অতি জরুরি বিষয়ের ওপর জোর দিয়ে ড. মুহিত বলেন, ‘দেশে বর্তমানে ১০ লক্ষাধিক মানুষ ছানিজনিত কারণে অন্ধত্ব বরণ করে আছেন। তাদের কাছে দ্রুত অস্ত্রোপচার সেবা পৌঁছানো সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। এছাড়া গ্রামে-গঞ্জে চশমার অভাবে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়া এবং কর্মক্ষম মানুষের উৎপাদনশীলতা হ্রাসের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সব বয়সি মানুষের জন্য বিনামূল্যে ও সহজলভ্য চশমা প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘অসংক্রামক ব্যাধি হিসেবে ডায়াবেটিসের প্রকোপ বাড়ায় মানুষ যাতে দৃষ্টিশক্তি না হারায়, সেজন্য জেলা পর্যায় পর্যন্ত দ্রুত ‘ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি স্ক্রিনিং’ সেবা চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

হেলথ ডিপ্লোম্যাসির মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের এই যুগান্তকারী পরিবর্তন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অনন্য নজির স্থাপন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর