ঢাকা: বিগত সরকারের আমলে দেশের পাঠাগার ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্মিত মুজিব কর্নারগুলোকে সংস্কার করে ‘মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই’ কর্নারে রূপান্তরিত করা হলে তা দেশের মানুষের জন্য কল্যাণের কাজ হবে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ অধিবেশনে একটি সম্পূরক প্রশ্ন উত্থাপন করে সংরক্ষিত নারী আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য মারদিয়া মমতাজ এই প্রস্তাব দেন।
তিনি বলেন, গত সরকারের মেয়াদে সাড়ে ২২ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি-বেসরকারি পাঠাগার ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এসব মুজিব কর্নার স্থাপন করা হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, চব্বিশের আগস্টের পর নির্দেশিকা ও শিরোনামগুলো সরিয়ে নেওয়া হলেও কাঠামো ও সেলফগুলো অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। তিনি বলেন, সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী এই প্রকল্পের অধীনে বিতরণ করা ৬৫ হাজার ৭০০ কপি বইয়ের মধ্যে অধিকাংশেই ছিল ব্যক্তিগত বা অপ্রাসঙ্গিক নানা বিষয়।
তিনি আরও বলেন, এই অবকাঠামোকে কাজে লাগিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং জুলাই বিপ্লবের ইতিহাস সংরক্ষণে নতুন কর্নার গঠনের ব্যাপারে সরকারের ভাবনা জানতে চান তিনি।
জবাবে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী সংসদে উপস্থিত জামায়াত সংসদ সদস্যকে সকল লাইব্রেরির একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা জমা দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, গণগ্রন্থাগার ও জেলা-উপজেলা পর্যায়ের পাবলিক লাইব্রেরির পাশাপাশি জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের অধীনস্থ গ্রাম পর্যায়ের বেসরকারি লাইব্রেরিগুলোকেও সরকারের আওতায় নিয়ে গুরুত্বসহকারে পর্যালোচনা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, সংসদ সদস্য নির্দিষ্ট তালিকা দিলে বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত আলোচনা করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।