Saturday 24 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

‘২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে ২০% বিদ্যুতের লক্ষ্যমাত্রা’

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৭:৫২ | আপডেট: ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২০:২১

সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমদানিকৃত জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে সরকার অগ্রাধিকার দিয়েছে। যার মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের অন্তত ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদীয় অধিবেশনে মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. তাজউদ্দীন খানের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সরকার ২০২৬ থেকে ২০৩০ মেয়াদে ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র’ প্রণয়ন করেছে। এই কৌশলের অংশ হিসেবে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৫ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট, ভূমিভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট এবং অন্যান্য প্রযুক্তি থেকে ৪৫০-৫৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। নবায়নযোগ্য শক্তিকে উৎসাহিত করতে সোলার প্যানেল, ইনভার্টার, ব্যাটারিসহ অন্যান্য যন্ত্রাংশের ওপর কাস্টমস ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি ও সম্পূরক শুল্ক সহ যাবতীয় কর ও শুল্ক মওকুফ করা হয়েছে।”

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, ‘সাধারণ গ্রাহকদের উৎসাহ দিতে বিশেষ প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছাদভিত্তিক সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যয় প্রতি ইউনিট ৮ টাকা এবং উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ ১০ টাকা ৫০ পয়সা হারে জাতীয় গ্রিডে কেনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন মেনে যেসকল গ্রাহক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ছাদভিত্তিক ব্যবস্থা স্থাপন করবেন, তারা টানা তিন বছর এই বিশেষ মূল্যে বিদ্যুৎ বিক্রি করতে পারবেন।’

এ ছাড়া খাতের ব্যাপক প্রসারে নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালা-২০২৫, জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি-২০২৫-সহ বেশ কিছু সময়োপযোগী গাইডলাইন প্রণয়ন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর