ঢাকা: আকস্মিক বা সাময়িক সংকটকালে শিল্পখাত যাতে গ্যাস সংকটের সম্মুখীন না হয়, সেজন্য ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ১৫০টি নতুন কূপ খনন এবং গভীর সমুদ্রে নতুন এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত নারী আসন-১৭-এর সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদ এবং মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. তাজউদ্দীন খানের পৃথক দু’টি প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী সরকারের এই স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি মাস্টারপ্ল্যান তুলে ধরেন।
সংসদে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশীয় গ্যাসের উৎস অনুসন্ধানের লক্ষ্যে ৪ হাজার ৫০০ লাইন কিলোমিটার দ্বিমাত্রিক ও ৪ হাজার ২০০ বর্গকিলোমিটার ত্রিমাত্রিক সাইসমিক সার্ভে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।’ তিনি আরও জানান, সমুদ্রাঞ্চলের ২৬টি ব্লকে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে, যার সময়সীমা নভেম্বর পর্যন্ত বহাল থাকবে। স্থলভাগে বিনিয়োগ আকর্ষণে ‘বাংলাদেশ অনশোর মডেল পিএসসি ২০২৬’ প্রণয়ন করা হচ্ছে।
জ্বালানি কাঠামোর উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মহেশখালীর কুতুবজোমে একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল এবং মাতারবাড়িতে একটি ল্যান্ড-বেইজড এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে, যা থেকে পর্যায়ক্রমে এলএনজি সরবরাহ শুরু হবে। এর পাশাপাশি পায়রা বা মোংলা বন্দরসহ গভীর সমুদ্রে সুবিধাজনক স্থানে একটি জরুরি ভাসমান টার্মিনাল স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে। ভোলার গ্যাস এলএনজি আকারে মূল ভূখণ্ডের অর্থনৈতিক অঞ্চল ও বিসিকের মতো বিসিক শিল্পাঞ্চলগুলোতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সরবরাহের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’