ঢাকা: যথাযোগ্য মর্যাদা, গভীর শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও মহান বিজয় দিবস-২০২৬ উদযাপনের লক্ষ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আহমেদ আযম খান, এমপি।
সভায় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে জাতীয় কর্মসূচির খসড়া উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধিরা।
প্রস্তাবিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- মিরপুর শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ ও রায়েরবাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন, সরকারি-বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ, আলোচনা সভা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ প্রার্থনা এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
দিবস দু’টির কর্মসূচি সুষ্ঠু ও নিরাপদভাবে বাস্তবায়নে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ এবং অনুষ্ঠানস্থল ব্যবস্থাপনা নিয়েও সভায় আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাগুলোকে সমন্বয়ের মাধ্যমে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবের স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সভার কার্যক্রম শুরু হয়। এতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সশস্ত্রবাহিনী বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও দফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।
সভায় শহিদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। একই সঙ্গে জাতীয় ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে দিবস দুটির কর্মসূচিতে ব্যাপক জনসম্পৃক্ততা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।